রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ঠাকুরগাঁও-১ আসন ছেড়েছেন, যার ফলে এই আসনটি শূন্য ঘোষণা করা হয়েছে। এরই মধ্যে আসনের উপনির্বাচন নিয়ে নতুন হিসাব-নিকাশ শুরু হয়েছে।
বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে চলছে আলোচনা। মির্জা ফখরুলের শুন্যতার সুযোগ নিয়ে প্রতিপক্ষরা আসনটি দখলের পরিকল্পনা করছে। দীর্ঘদিন ধরে এই আসনে বিএনপির প্রভাব ছিল, তবে এখন পরিস্থিতি পাল্টাতে পারে।
ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল আমিন জানান, সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা অনুযায়ী তিন মাসের মধ্যে নির্বাচন করতে হবে। তিনি বলেন, “দল থেকে যিনি মনোনীত হবেন, দল তার জন্যই কাজ করবে।”
গত নির্বাচনে বিএনপির কাছে পরাজিত হলেও প্রতিপক্ষরা এখন নতুন সুযোগ খুঁজছে। বিশেষ করে মির্জা ফখরুল ইসলামের অনুপস্থিতিতে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণের সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কেন্দ্রীয় কর্ম পরিষদ সদস্য দেলোয়ার হোসেন বলেন, “নির্বাচনী প্রচারণায় তিনি বলেছিলেন এটি তার শেষ নির্বাচন। আমি বিশ্বাস করি, মনোনয়ন পাবে সে।”
সংবিধান অনুযায়ী, ৯০ দিনের মধ্যে শূন্য আসনে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। তফসিল ঘোষণার পর ৩০ দিনের মধ্যে নির্বাচন সম্পন্ন হবে।
নির্বাচন বিশ্লেষক আ ক ম সাইফুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, “৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন বাধ্যতামূলক। তফসিল ঘোষণা করা হবে এবং সে অনুযায়ী নির্বাচন হবে।” আসনটির ভবিষ্যৎ নিয়ে অপেক্ষা করতে হবে তফসিল ও মনোনয়নের দিকে।