গাজীপুরের টঙ্গীতে চাকরি দেওয়ার কথা বলে আকাশ সরদারকে ডেকে এনে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। নিহতের বন্ধু মাজহারুল ইসলাম মিঠুকে গ্রেপ্তার করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
সোমবার সকালে টঙ্গীর বিশ্ব ইজতেমা ময়দানের ২১ নম্বর টয়লেট ভবনের পাশে একটি ড্রেন থেকে আকাশের গলিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত আকাশ ফরিদপুরের কোতোয়ালি থানার চাঁদপুর গ্রামের মো. করিম সরদারের ছেলে।
গ্রেপ্তার মিঠু নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার নাজিরপুর গ্রামের তারা মিয়ার ছেলে। পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, আকাশ ও মিঠু আগে কম্বোডিয়ায় কাজ করতেন।
আকাশ দেশে ফেরার পর বেকার হয়ে পড়লে তাকে চাকরি দেওয়ার কথা বলে ২৭ জুলাই সোনারগাঁয়ে ডেকে নেন মিঠু। এরপর তাকে অপহরণ করে টঙ্গীতে নিয়ে আসা হয়।
গত ২৭ জুলাই সন্ধ্যা ৭টার দিকে আকাশের স্ত্রী জেরিনের কাছে সুমন নামে এক ব্যক্তি ফোন করে আকাশকে আটকে রাখার কথা জানান। এরপর থেকে আকাশের মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
আকাশের বাবা মো. করিম সরদার বাদী হয়ে ফরিদপুর কোতোয়ালি থানায় মামলা করেন। মামলায় মিঠু, অপু মিয়া ও সুমন মিয়াকে আসামি করা হয়েছে।
র্যাব-১-এর একটি দল গত ২৩ আগস্ট টঙ্গী পশ্চিম থানার এলাকায় অভিযান চালিয়ে মিঠুকে গ্রেপ্তার করে। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আকাশের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
টঙ্গী পশ্চিম থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. ইয়ানুর রহমান বলেন, ‘মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুরের মর্গে পাঠানো হয়েছে। আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।’