নেত্রকোণার কেন্দুয়ায় ১৬ বছর বয়সী এক তরুণীকে অপহরণের পর ধর্ষণের অভিযোগে অভিযুক্ত যুবক জনিকে (২০) গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। শনিবার রাতে ঢাকার ভাটারা থানার বসুন্ধরা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং তরুণীটিকে উদ্ধার করা হয়।
গ্রেপ্তার যুবক জনির বাড়ি কেন্দুয়ার চিথোলিয়া গ্রামে। র্যাবের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, অপহরণের এক মাস তিন দিন পর ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করা হয়েছে।
ময়মনসিংহ র্যাব-১৪ এর সদর কোম্পানি কমান্ডার মেজর মীর ইশতিয়াক আমিন জানান, ভুক্তভোগী স্থানীয় একটি স্কুলের দশম শ্রেণির ছাত্রী। মামলার প্রধান আসামি রনি তাকে বিয়ের প্রস্তাব দিলে পরিবার তা প্রত্যাখ্যান করে, ফলে ক্ষুব্ধ হয়ে রনি ও তার সহযোগীরা অপহরণের পরিকল্পনা করে।
গত ২০ আগস্ট সকালে কোচিংয়ে যাওয়ার সময় তরুণীকে একটি মাইক্রোবাসে তুলে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায়। সেখানে প্রধান আসামি রনি তাকে ধর্ষণ করে বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ রয়েছে।
ভুক্তভোগীর ভাই বাদী হয়ে ১০ সেপ্টেম্বর কেন্দুয়া থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন। র্যাবের কর্মকর্তারা জানান, উদ্ধার হওয়া তরুণীকে নিরাপদ হেফাজতে রাখা হয়েছে এবং গ্রেপ্তার জনিকে থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
কেন্দুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলাম বলেন, গ্রেপ্তার আসামিকে আদালতে সোপর্দ করা হবে এবং আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। মামলার অন্য আসামিরা শামীম মিয়া ও ঝর্না আক্তারকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, তবে প্রধান আসামি রনি ও রানা পলাতক রয়েছে। পুলিশ তাদের ধরতে চেষ্টা চালাচ্ছে।