বরিশালের উজিরপুর থানার গাজিরপার গ্রামের গৃহবধূ হেনারা বেগম (৬০) দীর্ঘদিন ধরে মুখগহ্বরের ক্যান্সারের সঙ্গে লড়ছেন। চিকিৎসার জন্য যা কিছু ছিল, সব খরচ করে এখন নিঃস্ব অবস্থায় রয়েছেন তিনি ও তার পরিবার।
চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী, হেনারার কেমোথেরাপি প্রয়োজন, কিন্তু অর্থের অভাবে চিকিৎসা প্রক্রিয়া থমকে গেছে। চিকিৎসকরা আশঙ্কা করছেন, চিকিৎসা ব্যাহত হলে রোগের অবস্থা আরও জটিল হয়ে জীবনঝুঁকি বাড়তে পারে।
২০২৩ সালে হেনারা বেগমের মুখের বাম পাশের গালের ভেতরে ক্যান্সার ধরা পড়ে। প্রথমে বরিশালে চিকিৎসা নেন, পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হয়। রাজধানীর ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউটসহ কয়েকটি হাসপাতালে তিনি চিকিৎসা নেন।
চিকিৎসা, ওষুধ, পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও যাতায়াতে প্রায় বিশ লাখ টাকা ব্যয় হয়েছে। বর্তমানে চিকিৎসকরা কেমোথেরাপির প্রয়োজনীয়তা নিশ্চিত করেছেন।
হেনারা বেগম একজন গৃহিণী। তার ছেলেরা কৃষিকাজ ও দিনমজুরের কাজ করেন। চিকিৎসার ব্যয় মেটাতে গিয়ে তারা ঋণ করেছেন এবং ঘরের সামগ্রী বিক্রি করেছেন। বর্তমানে তাদের কাছে বসতভিটা ছাড়া আর কোনো সম্পদ নেই।
হেনারা বেগমের বোন জানিয়েছেন, চিকিৎসা করতে করতে তারা নিঃস্ব হয়ে গেছেন। এখন মানুষের সাহায্য ছাড়া চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়। পরিবারটির একটাই আবেদন, দ্রুত আর্থিক সহায়তা পেলে হেনারার কেমোথেরাপি সম্পন্ন করা সম্ভব হবে এবং তার সুস্থ হয়ে ওঠার লড়াই চালিয়ে নেওয়া যাবে।