আজ ঢালিউডের কিংবদন্তি অভিনেতা ফারুকের জন্মবার্ষিকী। তিনি বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাসে শুধুমাত্র একজন জনপ্রিয় নায়ক নন, বরং ঢাকাই চলচ্চিত্রের তারকা-সংস্কৃতির অন্যতম প্রতীক।
ফারুকের অভিনয়, ব্যক্তিত্ব ও পর্দায় উপস্থিতি তাঁকে দেশের বিনোদন অঙ্গনের এক কিংবদন্তিতে পরিণত করেছে। দীর্ঘ অভিনয়জীবনে দর্শক তাঁকে নানা চরিত্রে দেখেছেন, কখনো আবেগঘন প্রেমিক, কখনো প্রতিবাদী তরুণ, আবার কখনো সাধারণ মানুষের প্রতিনিধি হিসেবে। তবে দর্শকের কাছে সবচেয়ে বেশি পরিচিত নাম ‘মিয়া ভাই’।
ফারুকের জন্মবার্ষিকীতে ঢাকাই চলচ্চিত্রের এক কিংবদন্তি অভিনেত্রী ববিতা তাঁর সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন। সাক্ষাৎকারে ববিতা বলেন, ‘ফারুক ভাই বেঁচে নেই, তার হাসিমুখ আর কখনো দেখতে পাব না।’
ববিতা আরও বলেন, ‘ফারুক ভাই ছিলেন বড় মাপের শিল্পী এবং বড় মনের মানুষ। তিনি গ্রামের চরিত্রে দারুণভাবে মানিয়ে যেতেন। গ্রামনির্ভর গল্পের সিনেমায় তাঁর অভিনয় অতুলনীয় ছিল।’
ফারুকের অবদান বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে শুধুমাত্র অভিনয়ের পর্দায় সীমাবদ্ধ নয়। তিনি এমন এক তারকা ছিলেন, যার নামই একটি সিনেমার প্রতি দর্শকের আগ্রহ তৈরি করতে পারত। আশি ও নব্বইয়ের দশকে ঢাকাই চলচ্চিত্রের গৌরবময় সময়ে ফারুক ছিলেন অন্যতম উজ্জ্বল মুখ।
তাঁর জন্মবার্ষিকীতে আজ শুধু স্মৃতিচারণ নয়, ফিরে দেখা হচ্ছে বাংলা চলচ্চিত্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ও। ফারুক দর্শকের ভালোবাসায় আজও বেঁচে আছেন ‘মিয়া ভাই’ হিসেবে।