নিত্যপণ্যের বাজার স্থিতিশীল করতে ব্যবসায়ীরা চাঁদাবাজি ও সিন্ডিকেট বন্ধের দাবি জানিয়েছেন। সোমবার ভোক্তা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের সাথে অনুষ্ঠিত মতবিনিময়ে এ দাবি জানান তারা।
মহাপরিচালক জানান, রাজনৈতিক অঙ্গীকার ছাড়া পণ্য পরিবহনে চাঁদাবাজি ও মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য বন্ধ করা কঠিন। উৎপাদক থেকে ভোক্তা পর্যন্ত পণ্যের সরবরাহ ব্যবস্থায় কমিশন এজেন্ট ও মধ্যস্বত্বভোগীদের একচেটিয়া দৌরাত্ম্য রয়েছে।
স্থানীয় ব্যবসায়ী ও বড় আমদানিকারকরা একে অপরের সঙ্গে অনানুষ্ঠানিক সমঝোতা করে দাম নির্ধারণ করে থাকেন, যার ফলে বাজারে প্রতিযোগিতার অভাব দেখা দেয়। অসাধু ব্যবসায়ীরা এই সুযোগে তাদের ইচ্ছেমতো দাম হাঁকাতে পারে।
ভোক্তা অধিদপ্তরের অনুষ্ঠানে ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরা অভিযোগ করেন, দেশের বিভিন্ন স্থানে পণ্য পরিবহনে চাঁদাবাজির কারণে খরচ বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা সরাসরি ভোক্তার ওপর প্রভাব ফেলে।
ভোক্তা সংগঠন ক্যাব বাজারে দাম বৃদ্ধির জন্য অতিরিক্ত মুনাফার প্রবণতাকে দায়ী করেছে। তারা মনে করে, পণ্য পরিবহনে চাঁদাবাজি, মজুতদারি ও মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য বন্ধ করা বড় চ্যালেঞ্জ।
বক্তারা বলেন, কার্যকর নজরদারি ও রাজনৈতিক অঙ্গীকার নিশ্চিত করা গেলে নিত্যপণ্যের বাজারে স্বস্তি ফিরবে।