ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক, যা তিন বছর ধরে সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে নজরদারিতে রয়েছে, এবার এআই প্রযুক্তির আওতায় আসছে। মঙ্গলবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, মহাসড়কের প্রায় ২৫০ কিলোমিটার এলাকায় এআই ক্যামেরা স্থাপন করা হবে। নতুন এই প্রযুক্তি ট্রাফিক আইন ভাঙলে অপরাধীকে দ্রুত শনাক্ত করতে সক্ষম হবে এবং জরিমানা আদায় করা সহজ হবে।
ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত এই মহাসড়ক দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সড়ক। ২০২৩ সালে সড়কের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ১৪২৭টি সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়, যার জন্য ব্যয় হয়েছে ১৫২ কোটি ৫৬ লাখ টাকা।
এবার ২৫০ কিলোমিটার মহাসড়কের দুই পাশে সাত শতাধিক ক্যামেরায় এআই প্রযুক্তি যুক্ত করা হবে। হাইওয়ে পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার মঈন উদ্দীন চৌধুরী জানান, "মহাসড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে ও নিরাপত্তা নিশ্চিতে এই পদ্ধতি চালু করা হচ্ছে।"
যোগাযোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক মো. হাদিউজ্জামান মন্তব্য করেন, "শুধু ক্যামেরা বসালে বা এআই প্রযুক্তি যুক্ত হলেই শৃঙ্খলা ফিরবে না। মহাসড়কে চলতে দেওয়া যাবে না অটোরিকশা।"
অধ্যাপক হাদিউজ্জামান আরও বলেন, "থাকা উচিত আলাদা সার্ভিস লেন।" গত দশ বছরে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে রপ্তানি পণ্য চুরির অন্তত ২০০টি ঘটনা ঘটেছে। পুলিশের দাবি, ডিজিটাল নজরদারি বাড়লে এ ধরনের অপরাধ কমবে।