ক্যানসার, স্নায়ুরোগ, বন্ধ্যাত্ব, লিভার ও কিডনি ট্রান্সপ্ল্যান্টসহ জটিল রোগের চিকিৎসার জন্য বছরে ভারত, থাইল্যান্ডসহ বিভিন্ন দেশে ৫ লাখেরও বেশি মানুষ যাচ্ছেন। এই চিকিৎসা খাতে রোগী ও তাদের স্বজনরা বছরে ৬ হাজার কোটি টাকারও বেশি খরচ করেন।
বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, সরকারি ও বেসরকারি যৌথ উদ্যোগে রোগী সেবার মান বাড়ানোর মাধ্যমে বিদেশমুখিতা কমানো সম্ভব। বাংলাদেশ থেকে ভারতে চিকিৎসার জন্য যাওয়া মানুষের একটি বড় অংশ ক্যানসার ও স্নায়ুরোগের সমস্যায় আক্রান্ত। রোগীদের মধ্যে একটি প্রচলিত ধারণা রয়েছে যে দেশের চিকিৎসা পরিষেবা সন্তোষজনক নয় এবং খরচ বিদেশের তুলনায় বেশি।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ড. সৈয়দ আবদুল হামিদ বলেন, "ফার্টিলিটি বা অন্যান্য কারণে যাওয়া রোগীদের ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যসেবার অপ্রতুলতা এবং সেবা পাওয়ার প্রতিবন্ধকতা রয়েছে। আমাদের স্বাস্থ্যসেবা ঢাকা কেন্দ্রিক, যা সকলের জন্য সুবিধাজনক নয়।"
শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ডা. মির্জা মো. জিয়াউল ইসলাম বলেন, "রোগীদের দরদ দিয়ে দেখতে হবে এবং আস্থা ফেরাতে সর্বাত্মক চেষ্টা করতে হবে।" চিকিৎসা খাতে বিনিয়োগকারীরা উল্লেখ করছেন, সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগের সমন্বয় হলে স্বাস্থ্যসেবা জনবান্ধব হবে।
ল্যাব এইড হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. এ এম শামীম বলেন, "সরকারি হাসপাতালগুলোর অবকাঠামো উন্নয়নে বিনিয়োগ করা হলে রোগীদের জন্য সেবা আরও উন্নত হবে।" সীমান্ত এলাকার মানুষ গুরুতর অসুস্থ হলে ভারতে যেতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন, তাই সেখানে বিশেষায়িত হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার স্থাপনের তাগিদ বিশেষজ্ঞদের।