বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
ব্রেকিং
আশুলিয়ায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ: সিলিন্ডার ছড়িয়ে আতঙ্কে স্থানীয়রা টাইফুন দুজুয়ানের তাণ্ডবে বিপর্যস্ত জাপানের পূর্ব উপকূল টাইফুন দুজুয়ান: জাপানে মৃত্যু ও বন্যার সৃস্টি, ভ্রমণ অচল গাজায় ইসরায়েলি হামলায় শিশু সহ তিনজন নিহত ইসরায়েলি বাহিনীর অভিযানে ৫৩ ফিলিস্তিনি যুবক আটক আশুলিয়ায় বিস্ফোরণে ৭ প্রাণহানির পর প্রীতি গ্রুপের কারখানা বন্ধ আশুলিয়ায় পোশাক কারখানায় বিস্ফোরণে নিহত ৭, আহত ১৬ রাজধানীর ন্যাম ভবন থেকে এমপি গাজী নজরুল ইসলামের স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে ইশায়াত অপ্রতিমের প্রথম জানাজা সম্পন্ন কুমিল্লায় নিখোঁজ অপ্রতিমের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার
অপরাধ

তনু হত্যা মামলায় অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য হাফিজুর রহমান গ্রেপ্তার

তনু হত্যা মামলায় অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য হাফিজুর রহমানকে পুনরায় গ্রেপ্তার করেছে পিবিআই।

তনু হত্যা মামলায় অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য হাফিজুর রহমান গ্রেপ্তার

কুমিল্লার সোহাগী জাহান তনু হত্যা মামলায় অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য হাফিজুর রহমানকে পুনরায় গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। আজ শনিবার দুপুরে পিবিআইয়ের পক্ষ থেকে বিষয়টি জানানো হয়েছে।

পিবিআই জানায়, আদালতের আদেশ প্রতিপালন না করার কারণে এবং পুলিশের নির্দেশ অনুযায়ী হাফিজুরকে গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান চালানো হয়। শনিবার ঢাকার কেরানীগঞ্জের নিজ বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। আদালতের আদেশে হাফিজুরের পালিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকায় এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

হাফিজুরকে কুমিল্লার আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। এর আগে গত ২২ এপ্রিল তনু হত্যা মামলায় হাফিজুরকে গ্রেপ্তার করে জেলহাজতে পাঠানো হয়। পরে হাইকোর্ট থেকে জামিন নিয়ে গত ৪ আগস্ট তিনি কারাগার থেকে মুক্তি পান।

তবে গত ৬ আগস্ট হাইকোর্টের দেওয়া জামিন স্থগিত করেন আপিল বিভাগের চেম্বার জজ আদালত। একই সঙ্গে তাকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেওয়া হয়। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আত্মসমর্পণ না করলে তাকে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশকে নির্দেশ দেন আদালত।

২০১৬ সালের ২০ মার্চ সন্ধ্যায় কুমিল্লা সেনানিবাসের ভেতরে একটি বাসায় টিউশনি করতে গিয়ে ফেরেননি তনু। পরে খোঁজাখুঁজি করে সেনানিবাসের পাওয়ার হাউজের অদূরে ঝোপের মধ্যে তনুর মরদেহ পাওয়া যায়। তাকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয় বলে প্রাথমিকভাবে প্রতীয়মান হয়। পরদিন তনুর বাবা ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডের অফিস সহায়ক (বর্তমানে অবসরপ্রাপ্ত) ইয়ার হোসেন বাদী হয়ে অজ্ঞাত আসামিদের বিরুদ্ধে কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানায় হত্যা মামলা করেন।

বিজ্ঞাপন