বাংলাদেশে বেসরকারি খাতের ঋণ প্রবৃদ্ধি ইতিহাসের সর্বনিম্ন ৪ দশমিক ৪৭ শতাংশে নেমে এসেছে, যা দেশের বিনিয়োগে স্থবিরতার ইঙ্গিত দেয়।
গ্যাস ও বিদ্যুতের অনিশ্চয়তা, উচ্চ সুদহার এবং ব্যবসায়িক আস্থার সংকটের কারণে ঋণ প্রবাহে মন্দা দেখা দিয়েছে। ফলে নতুন কর্মসংস্থান তৈরি ও শিল্প বিনিয়োগ নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।
রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর থেকে ব্যবসায়ীরা চাপের মধ্যে রয়েছেন। বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংকটের কারণে অনেক কারখানা উৎপাদন সচল রাখতে হিমশিম খাচ্ছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, জুন মাসের শেষে বেসরকারি খাতে ঋণের প্রবৃদ্ধি ৪ দশমিক ৪৭ শতাংশে নেমেছে, যা মে মাসে ছিল ৪ দশমিক ৯৮ শতাংশ।
বাংলাদেশ ব্যাংক নীতি সুদহার কমিয়ে এবং ৬০ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা দিয়ে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানে গতি ফেরানোর চেষ্টা করছে। মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বলেন, 'বিনিয়োগকারীদের জন্য সুলভ অর্থায়ন নিশ্চিত করা আমাদের কাজ।'
ঢাকা চেম্বারের সভাপতি তাসকীন আহমেদ বলেন, 'স্থিতিশীল রাজনৈতিক পরিস্থিতি দেশের অর্থনীতি ও প্রাইভেট সেক্টরের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজন।'
বিশ্লেষকদের মতে, নীতি সুদ কমানোর সিদ্ধান্ত ইতিবাচক হলেও টেকসই বিনিয়োগ পরিবেশ তৈরি না হলে বেসরকারি খাতে গতি ফিরতে সময় লাগবে।