অ্যাপলের নতুন আইফোন ১৮ প্রো ও আইফোন ১৮ প্রো ম্যাক্সের আগমনের গুঞ্জন চলছে। নতুন ২ ন্যানোমিটার এ২০ চিপ, ছোট ডাইনামিক আইল্যান্ড, ভ্যারিয়েবল অ্যাপারচার ক্যামেরা, এবং বড় ব্যাটারি নিয়ে আসছে এই মডেলগুলো।
নতুন এ২০ চিপটি টিএসএমসির ২ ন্যানোমিটার প্রযুক্তিতে তৈরি হবে, যা আগের চেয়ে দ্রুত এবং ব্যাটারি সাশ্রয়ী হবে। এই চিপে সিপিইউ, জিপিইউ, নিউরাল ইঞ্জিন ও র্যাম সমন্বিতভাবে কাজ করবে। তবে, দৈনন্দিন ব্যবহারের জন্য বর্তমান আইফোনগুলো যথেষ্ট দ্রুত বলে মনে করেন কিছু ব্যবহারকারী।
আইফোন ১৮ প্রো'তে ভ্যারিয়েবল অ্যাপারচার প্রযুক্তি যুক্ত হতে পারে, যা তিনটি ৪৮ মেগাপিক্সেলের ক্যামেরায় আলো অনুযায়ী লেন্সের অ্যাপারচার পরিবর্তন করবে। এটি ছবির গুণগত মান উন্নত করবে, তবে অনেক ব্যবহারকারী আগের মতোই ক্যামেরা ব্যবহার করবেন।
অ্যাপলের নতুন মডেলে ছোট ডাইনামিক আইল্যান্ডের পরিবর্তন হবে, যা স্ক্রিনে বাধা কমাবে এবং ভিডিও দেখার অভিজ্ঞতা উন্নত করবে।
আইফোন ১৮ প্রো ম্যাক্সে প্রায় ৫,২০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার ব্যাটারি থাকতে পারে, যা আগের মডেলের তুলনায় কিছুটা বেশি। তবে, এই পরিবর্তনের ফলে ফোনটি কিছুটা ভারী হতে পারে।
অ্যাপল এবার চারটি আইফোন একসঙ্গে উন্মোচনের পরিবর্তে ধাপে ধাপে বাজারে আনতে পারে। ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বরে প্রো মডেল ও ফোল্ডেবল আইফোন উন্মোচন হতে পারে।
বিশ্লেষকদের মতে, প্রযুক্তিগত উন্নয়ন সত্ত্বেও সাধারণ ব্যবহারকারীরা সবচেয়ে বেশি পরিবর্তন অনুভব করবেন—ছোট ডাইনামিক আইল্যান্ড, কম আলোতে ভালো ছবি, এবং দীর্ঘ সময় একই গতিতে ফোন ব্যবহারের সুবিধা।