যুদ্ধের ধারণা এখন বদলে যাচ্ছে, যেখানে ট্যাংক ও যুদ্ধবিমান ছাড়াও সফটওয়্যার এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) ভূমিকা বাড়ছে। সামরিক বাহিনী এখন স্ক্রিনের সামনে বসে যুদ্ধ পরিচালনা করছে।
২০০০ ও ২০১০-এর দশকে মার্কিন ড্রোন কর্মসূচির মাধ্যমে এ পরিবর্তন শুরু হয়। এআই প্রযুক্তি এখন ক্লাউড কম্পিউটিং, স্বয়ংক্রিয় ড্রোন, এবং অন্যান্য সফটওয়্যারে ছড়িয়ে পড়েছে। সামরিক খাতে এআই রূপান্তরের জন্য বিপুল পরিমাণ বিনিয়োগ হচ্ছে।
গত ১০ জুলাই যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় রেইথন ইউকের সঙ্গে ২ বিলিয়ন পাউন্ডের চুক্তি করেছে, যার মাধ্যমে প্রতি বছর ৬০ হাজার ব্রিটিশ সেনাকে এআই ব্যবহার করে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।
ন্যাটো সম্প্রতি মার্কিন ল্যাটিস এআই ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি করেছে। পেন্টাগনের ২০১৪ সালের থার্ড অফসেট স্ট্র্যাটেজি অনুযায়ী, এআই আগামী প্রজন্মের যুদ্ধের গতিপথ নির্ধারণ করবে।
সামরিক এআই শিল্পের একটি রূপরেখা তৈরি করেছে স্টকহোম ইন্টারন্যাশনাল পিস রিসার্চ ইনস্টিটিউট, যেখানে কোম্পানিগুলোকে চারটি বিভাগে ভাগ করা হয়েছে: ডিফেন্স প্রাইমস, নিওপ্রাইমস, বিগ টেক, এবং ফাউন্ডেশনাল মডেল প্রোভাইডার।
ডিফেন্স প্রাইমসের মধ্যে বড় বড় অস্ত্র প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান যেমন লকহিড মার্টিন, নর্থরপ গ্রুম্যান রয়েছে। নিওপ্রাইমসের মধ্যে প্যালানটির উল্লেখযোগ্য, যা পেন্টাগনের ফ্ল্যাগশিপ এআই প্রোগ্রামে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
বিগ টেক কোম্পানিগুলো, যেমন গুগল ও মেটা, সামরিক ব্যবহারের জন্য ক্রমশ যুক্ত হচ্ছে। ফাউন্ডেশনাল মডেল প্রোভাইডারদের মধ্যে ওপেনএআই ও অ্যানথ্রোপিক অন্তর্ভুক্ত।