ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে বিশ্বজুড়ে এআই ডেটা সেন্টারগুলো নতুন ঝুঁকির সম্মুখীন হচ্ছে। ইরান সামরিক শক্তির মোকাবিলায় অর্থনৈতিক ক্ষয়ক্ষতিকে কৌশল হিসেবে বেছে নিয়েছে, যা ডেটা সেন্টারগুলোর দুর্বলতা উন্মোচন করছে।
মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশের তেল শোধনাগার এবং পর্যটন কেন্দ্রকে লক্ষ্য করে ইরান ব্যাপক হামলা চালিয়েছে। এতে উপসাগরীয় দেশগুলোতে অর্থনৈতিক ক্ষতি হয়েছে। এবার ডেটা সেন্টারগুলোও তাদের হামলার লক্ষ্যবস্তু হয়ে উঠছে।
ইরান ইতোমধ্যে প্রতিবেশী কয়েকটি দেশের ডেটা সেন্টারে হামলা চালিয়েছে, যার মধ্যে বাহরাইনের একটি অ্যামাজন ডেটা সেন্টারও অন্তর্ভুক্ত। গত মাসে ওই স্থাপনায় দ্বিতীয়বারের মতো ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হয়েছে।
অ্যামাজনের ক্লাউড সেবা অ্যামাজন ওয়েব সার্ভিসেসের (এডব্লিউএস) ড্যাশবোর্ডে হামলার পর সেবায় বিঘ্নের তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। স্যাটেলাইটে ধারণ করা ছবিতে হামলার পর ব্যাপক ক্ষতির চিত্র দেখা গেছে।
ইরান স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, তারা ডেটা সেন্টারগুলোকে বৈধ সামরিক লক্ষ্যবস্তু হিসেবে বিবেচনা করছে। ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) ২৯টি আঞ্চলিক প্রযুক্তি স্থাপনার তালিকা প্রকাশ করেছে, যেগুলোতে হামলার পরিকল্পনা রয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অ্যামাজনের বিভিন্ন চুক্তি রয়েছে, যার মধ্যে ৯ বিলিয়ন ডলারের ‘জয়েন্ট ওয়ারফাইটিং ক্লাউড ক্যাপাবিলিটি’ প্রকল্পও রয়েছে।
উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলো নিজেদের এআই প্রযুক্তির বৈশ্বিক কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে বড় ধরনের বিনিয়োগ করছে। সৌদি আরব ১ ট্রিলিয়ন ডলার এআই খাতে বিনিয়োগের পরিকল্পনা করছে।
এমন পরিস্থিতিতে, ডেটা সেন্টারগুলোতে হামলা যুদ্ধ ও কূটনীতিতে প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর ভূমিকা নিয়ে নতুন প্রশ্ন উত্থাপন করছে।