ঢাকা-চট্টগ্রামের মতো বড় শহরগুলোতে বিদ্যুৎ সংকট তেমন না থাকলেও গ্রামাঞ্চলে লোডশেডিংয়ে ভোগান্তি বেড়েছে। বিদ্যুৎ উৎপাদনে গ্যাস সংকটের কারণে এই সমস্যা তৈরি হয়েছে।
ভোক্তা সংগঠন ক্যাব জানায়, শহর ও গ্রামে 'সমতা ভিত্তিক লোডশেডিং' বাস্তবে নেই। তবে বিদ্যুৎমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুর দাবি, গ্রামে লোডশেডিংয়ের প্রধান কারণ সঞ্চালন লাইনের দুর্বলতা।
রাজধানীতে গ্রীষ্মকালেও লোডশেডিংয়ের অভাব দেখা গেছে, কিন্তু শহরতলী ও গ্রামে প্রতিদিনই লোডশেডিং হচ্ছে। জামালপুর, রংপুর, নীলফামারী, নাটোর, এবং চাঁদপুরের গ্রাহকরা এই সমস্যায় ভুগছেন।
জামালপুরের এক যুবক জানান, রাত ৮টার দিকে বিদ্যুৎ চলে যায় এবং কখন আসবে তা বলা যায় না। অন্য এক যুবক বলেন, সারাদিনে ২-৩ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকে।
২৫ জুলাই রাত ১টায় সারাদেশে লোডশেডিংয়ের পরিমাণ ছিল দেড় হাজার মেগাওয়াটের বেশি। একটি এলএনজি টার্মিনাল বিকল হওয়ায় সংকট আরও বেড়েছে।
ক্যাবের জ্বালানি উপদেষ্টা শামসুল আলম বলেন, এটি আমাদের দুর্ভাগ্য যে আমরা লোডশেডিং মুক্ত হতে পারছি না এবং এই সংকটটি সবার মধ্যে সমানভাবে ভাগ করে নিতে হবে।
মন্ত্রী টুকু জানান, গ্রামাঞ্চলে বিদ্যুতায়নের জন্য যে সঞ্চালন লাইন তৈরি করা হয়েছে, তা মানসম্মত নয়। সঞ্চালন লাইনের উন্নয়নে পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডকে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।