বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের কারণে তিস্তা সহ অন্যান্য নদ-নদীর পানির স্তর বাড়ছে, যা বন্যার আশঙ্কা সৃষ্টি করেছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তিস্তার পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় নদী তীরবর্তী নিচু এলাকায় পানি ঢুকতে শুরু করেছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় সুনামগঞ্জে সুরমা ও কুশিয়ারা নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর প্রবাহিত হচ্ছে। সিলেটের কুশিয়ারা ও নেত্রকোণার সোমেশ্বরী নদীর পানিও বিপৎসীমার ওপরে রয়েছে। প্রশাসন বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।
নীলফামারীর ডিমলা ও জলঢাকার নিচু এলাকায় পানি ঢুকতে শুরু করেছে, ফলে যোগাযোগ ব্যাহত হচ্ছে। গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জের হরিপুর, কাপাসিয়া, বেলকাসহ বিভিন্ন ইউনিয়নের নিচু এলাকা প্লাবিত হয়েছে। সদর, সাঘাটা ও ফুলছড়ি উপজেলার অন্তত ২৫টি এলাকায় নদী ভাঙন অব্যাহত রয়েছে।
কুড়িগ্রামে দুধকুমারসহ বিভিন্ন নদীর অববাহিকায় স্বল্পমেয়াদি বন্যার শঙ্কা দেখা দিয়েছে। চিলমারীর কাঁচকোল এলাকায় নদী ভাঙন শুরু হয়েছে। লালমনিরহাটে তিস্তার পানি দ্রুত বাড়ছে, জেলা প্রশাসন সম্ভাব্য বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় আগাম প্রস্তুতি নিয়েছে।
শেরপুরের চেল্লাখালি ও মহারশি নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। নালিতাবাড়ী ও ঝিনাইগাতীর তিনটি ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এছাড়া, যমুনার তীব্র স্রোতে টাঙ্গাইল-তারাকান্দি আঞ্চলিক মহাসড়কের একাংশ ধসে গেছে, যার ফলে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড ভাঙন রোধে জিও ব্যাগ ফেলছে।