দিনাজপুরে এক কৃষককে অপহরণ করে ১২ লাখ টাকা চাঁদাবাজির অভিযোগে এনসিপির অঙ্গসংগঠন যুবশক্তির পাঁচ নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।
গতকাল সোমবার রাতে কোতোয়ালি থানায় অপহৃত আবদুস সামাদের ছেলে মো. মামুনের দায়ের করা মামলায় পাঁচজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও ১০ থেকে ১২ জনকে আসামি করা হয়েছে।
মামলার এজাহারভুক্ত আসামিরা হলেন জাতীয় যুবশক্তির কেন্দ্রীয় সহসাংগঠনিক সম্পাদক আরিফ মুন, যুবশক্তির নেতা হাসিন ইসরাক, আজমীর হোসেন ওরফে প্রেম, সাজিদুল মিনহাজ এবং মো. হৃদয়।
মামলা সূত্রে জানা যায়, গত ৫ জুলাই রাতে সদর উপজেলার চেহেলগাজী ইউনিয়নের পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি কার্যালয়ের পাশে গ্রেপ্তারকৃত পাঁচ নেতাসহ ১০ থেকে ১২ জন আব্দুস সামাদ ও তার পরিবারের সদস্যদের মারধর করে অপহরণ করে নিয়ে যায়।
অপহরণকারীরা আবদুস সামাদের ছেলে মো. মামুনের কাছে ১২ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করেন এবং টাকা না দিলে আব্দুস সামাদকে হত্যার হুমকি দেন। মামুন পুলিশের কাছে অভিযোগ জানালে কোতোয়ালি থানার পুলিশ অভিযান চালিয়ে গতকাল রাতে শহরের গোরে এ শহীদ বাড় মাঠ এলাকা থেকে এনসিপির পাঁচ নেতাকে আটক করে আব্দুস সামাদকে উদ্ধার করে।
এদিকে আটককৃতদের থানায় নিয়ে গেলে তাদের ছাড়াতে একদল লোক থানার সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করেন। কোতোয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. নুর নবী মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, গ্রেপ্তারকৃতদের আজ আদালতে পাঠানো হলে বিচারক তাদের জেল হাজাতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।