গ্রাহক পর্যায়ে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের অভিযোগ উঠেছে। অনেক গ্রাহকের দাবি, বিদ্যুৎ ব্যবহার না বাড়লেও আগের তুলনায় দুই থেকে তিনগুণ বিল পরিশোধ করতে হচ্ছে। অভিযোগ জানালেও কার্যকর সমাধান মিলছে না।
ভোক্তা সংগঠন কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) বলছে, অর্থবছরের শেষে সিস্টেম লস কম দেখাতে অতিরিক্ত বিল করার প্রবণতা থাকতে পারে। সংগঠনটি তাই নিরপেক্ষ প্রতিষ্ঠান দিয়ে তদন্তের দাবি জানিয়েছে।
জুন মাসে গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম গড়ে প্রায় ১৭ শতাংশ বাড়ানোর পর বিশেষ করে প্রি-পেইড মিটারের গ্রাহকদের অভিযোগ বেড়েছে। বিভিন্ন বিতরণ সংস্থার আঞ্চলিক কার্যালয়ে প্রতিদিন ৫০ জনের বেশি গ্রাহক বিল-সংক্রান্ত অভিযোগ নিয়ে যাচ্ছেন বলে জানা গেছে।
ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করছেন, মাস শেষ হলেও অনেক ক্ষেত্রে বিদ্যুতের স্ল্যাব পরিবর্তন হয়নি। আগের মাসের সর্বশেষ ব্যবহারের সঙ্গে উচ্চ হারে নতুন বিল কাটা হচ্ছে। দাম বৃদ্ধির পর প্রি-পেইড কিপ্যাড মিটারে শতাধিক টোকেন ইনপুটের ঝামেলায় পড়ছেন অনেক গ্রাহক।
কিছু গ্রাহক অভিযোগ করেছেন, রিচার্জ করলেও বিদ্যুৎ সংযোগ চালু হয়নি। ক্যাবের জ্বালানি উপদেষ্টা শামসুল আলম বলেন, বিদ্যুৎ বিতরণকারী সংস্থাগুলোর বিরুদ্ধে অতিরিক্ত বিল আদায়ের অভিযোগ নতুন নয়।
তিনি আরও বলেন, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ও বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) কার্যকর নজরদারির ঘাটতি রয়েছে। তাই নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত চিত্র তুলে আনার দাবি জানান তিনি।
অন্যদিকে, অতিরিক্ত বিলের অভিযোগের বিষয়ে গ্রাহকদের সংশ্লিষ্ট বিদ্যুৎ বিতরণ সংস্থার হটলাইনে যোগাযোগ করার পরামর্শ দিয়েছে বিদ্যুৎ বিভাগ।