শনিবার, ০৪ জুলাই, ২০২৬
ব্রেকিং
ধর্ম

খামেনির শেষ বিদায়ের অনুষ্ঠানে 'আমেরিকার ধ্বংস' ও 'প্রতিশোধের' স্লোগান

তেহরানে খামেনির শেষ বিদায়ের অনুষ্ঠানে শোকের পাশাপাশি 'আমেরিকার ধ্বংস' স্লোগান শোনা যায়।

খামেনির শেষ বিদায়ের অনুষ্ঠানে 'আমেরিকার ধ্বংস' ও 'প্রতিশোধের' স্লোগান

৪ জুলাই, শনিবার, রাজধানী তেহরানের ইমাম খোমেনি গ্র্যান্ড মোসাল্লায় শুরু হয়েছে প্রয়াত সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির সপ্তাহব্যাপী রাষ্ট্রীয় শেষ বিদায়ের আনুষ্ঠানিকতা। এই আয়োজনে হাজারো শোকাহত মানুষের উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে।

অনুষ্ঠানটি জাতীয় সংগীত পরিবেশন, ধর্মীয় শোকগাথা এবং পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে শুরু হয়। খামেনির প্রতি জনসমর্থন এবং ইসলামী প্রজাতন্ত্রের প্রতি জনগণের আনুগত্য প্রদর্শনের উদ্দেশ্যে এই রাষ্ট্রীয় শোকানুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।

দেশটির বিভিন্ন শহরে তার স্মরণে ব্যাপক শোকমিছিল ও ধর্মীয় কর্মসূচিও অনুষ্ঠিত হচ্ছে। রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের সম্প্রচারিত ভিডিওতে দেখা যায়, খামেনির কফিন ইরানের জাতীয় পতাকায় মোড়ানো এবং তার পরিচিত কালো পাগড়ি কফিনের ওপর রাখা হয়েছে।

একই মঞ্চে রাখা হয় তার নিহত পরিবারের আরও চার সদস্যের কফিন। কালো রঙের বিশাল মঞ্চটি সৌদি আরবের মক্কায় অবস্থিত ইসলাম ধর্মের পবিত্রতম স্থাপনা কাবা শরিফের আদলে নির্মাণ করা হয়েছে।

মোসাল্লার বিশাল প্রাঙ্গণজুড়ে ছিল শোকাহত মানুষের ঢল। তাদের অনেকের হাতে ছিল ইরানের জাতীয় পতাকা এবং প্রয়াত নেতার ছবি। সকাল থেকেই দলে দলে মানুষ সেখানে জড়ো হন, ফলে পুরো এলাকা পরিণত হয় শোক ও শ্রদ্ধার এক বিশাল সমাবেশে।

সমবেত জনতার কণ্ঠে শোনা যায় 'আমেরিকার ধ্বংস হোক' এবং 'প্রতিশোধ, প্রতিশোধ' স্লোগান। এসব স্লোগান খামেনির মৃত্যুর জন্য দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রতিশোধের দাবির প্রতিফলন হিসেবে দেখা হচ্ছে।

পরে মোসাল্লার বিশাল ধর্মীয় কমপ্লেক্সে খামেনির কফিন রাখা হলে ধর্মীয় নেতা, সরকারের শীর্ষ কর্মকর্তা, বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিসহ অসংখ্য শোকাহত মানুষ তার প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানান।

বিজ্ঞাপন