ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে চিরবিদায় জানাতে আজ শুক্রবার থেকে সপ্তাহব্যাপী আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়েছে। ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব, শীর্ষ নেতা ও বিদ্বানরা তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন।
এ উপলক্ষ্যে ইরান ও ইরাকের বিভিন্ন শহরে ধর্মীয় অনুষ্ঠান, শোকসভা ও শোকমিছিলের আয়োজন করা হয়েছে। আগামী ৯ জুলাই আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে দাফন করা হবে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ বিমান হামলায় তিনি নিহত হন। মার্চে তাঁর দাফন হওয়ার কথা ছিল, কিন্তু যুদ্ধের কারণে তা পিছিয়ে দেওয়া হয়।
শুক্রবার শুরু হওয়া আনুষ্ঠানিকতার প্রথম দিন তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লা প্রার্থনা চত্বরে তাঁর কফিন রাখা হয়েছে। জানাজা ও স্মরণসভায় অংশ নিতে ভক্ত ও অনুসারীরা তেহরানে জড়ো হয়েছেন।
৪ ও ৫ জুলাই তেহরানে সর্বসাধারণের অংশগ্রহণে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। খামেনি ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের কফিন গ্র্যান্ড মোসাল্লায় রাখা হবে সাধারণ মানুষের বিদায় জানানোর জন্য।
৬ ও ৭ জুলাই খামেনির মরদেহ নিয়ে তেহরানের বিভিন্ন সড়কে একটি শোকমিছিল অনুষ্ঠিত হবে। পরে কোম শহরে নেওয়া হবে তাঁর মরদেহ, যেখানে তিনি পড়াশোনা করেছিলেন।
৮ জুলাই খামেনির মরদেহ ইরাকে নেওয়া হবে। নাজাফ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তাঁর মরদেহ গ্রহণ করা হবে এবং শোকযাত্রা অনুষ্ঠিত হবে।
৯ জুলাই মাশহাদ শহরে ইমাম রেজার মাজারে তাঁকে দাফন করা হবে। মাশহাদ শহরেই ১৯৩৯ সালে আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির জন্ম হয়েছিল।