খাগড়াছড়িতে মৌসুমি ফলের এবারের ফলন রেকর্ড পরিমাণ হলেও, চাষিরা ন্যায্য দাম থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। সড়কে অহেতুক টোল এবং চাঁদাবাজির কারণে পাইকারদের সংখ্যা কমে গেছে, যা স্থানীয় বাজারে ফলের দাম কমানোর কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
কৃষি বিভাগ জানায়, একই সময়ে বিভিন্ন জাতের ফল বাজারে আসার ফলে দাম কমেছে। তবে চাষিরা অভিযোগ করেছেন যে, তারা খাগড়াছড়ি থেকে ঢাকা, চট্টগ্রাম, ফেনীসহ অন্যান্য জেলায় ফল পাঠানোর সময় পথে চাঁদাবাজির শিকার হন।
ফলদ বাগান মালিক সমবায় সমিতির আহ্বায়ক কালোবরণ চাকমা বলেন, “অতিরিক্ত টোলের ভয়ে পাইকারি ক্রেতারা কম আসছেন, ফলে স্থানীয় বাজারে ফলের চাহিদা ও দাম দুই-ই কমে গেছে।”
খাগড়াছড়ি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. নাসির উদ্দিন চৌধুরী জানান, চলতি মৌসুমে জেলায় ২০ হাজার ২১২ হেক্টর জমিতে মৌসুমি ফলের আবাদ হয়েছে। বাজারে প্রচুর ফল আসায় দাম কিছুটা কমেছে।
জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, কৃষকদের হয়রানি বন্ধের জন্য তারা ব্যবস্থা নিচ্ছেন। খাগড়াছড়ির জেলা প্রশাসক মো. আনোয়ার সাদাত বলেন, “কৃষক যদি কোনো ধরনের হয়রানির শিকার হন, আমাদের কাছে অভিযোগ জানালে আমরা ব্যবস্থা নেব।”
ফলের বাজার এবং পরিবহন নির্বিঘ্ন হলে, পাহাড়ের প্রান্তিক চাষিরা বড় লাভের মুখ দেখতে পারেন বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।