ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুরে মাদ্রাসা ছাত্র সাইমুন ইসলামের নামে বরাদ্দকৃত একটি বাইসাইকেল উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা তাজুল ইসলাম নিজে গ্রহণ করে তার নাতনিকে দিয়েছেন। এই ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যাওয়ার পর জামায়াত নেতা বাইসাইকেলটি উপজেলা প্রশাসনের কাছে ফেরত দেন।
উপজেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, সাইমুন ইসলামের জন্য বরাদ্দকৃত বাইসাইকেলটি মাস্টাররোলে স্বাক্ষর করে তাজুল ইসলাম গ্রহণ করেন। পরে তিনি বাইসাইকেলটি তার নাতনির কাছে পাঠিয়ে দেন। এই ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়।
সাইমুন ইসলাম জানান, বাইসাইকেলটি প্রথমে তার কাছে দেওয়া হয়নি। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর সাইকেলটি তাদের বাড়িতে পৌঁছানো হলেও পরে আবার প্রশাসনের কাছে ফেরত নেওয়া হয়।
এছাড়া, জামায়াতের এই আমিরের বিরুদ্ধে সরকারি বরাদ্দের সেলাই মেশিন, স্প্রে মেশিন, ছাগলসহ বিভিন্ন উপকরণ বিতরণে স্বজনপ্রীতি ও দলীয় প্রভাব খাটানোর অভিযোগ উঠেছে।
মাওলানা তাজুল ইসলাম মুঠোফোনে বলেন, বাইসাইকেলটি তিনি এক প্রতিবেশী শিক্ষার্থীকে দিয়েছিলেন। তবে পরে তিনি জানান, পারিবারিক প্রয়োজন বিবেচনায় সেটি তার নাতনিকে দেওয়া হয়েছিল।
কোটচাঁদপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দীপা রানী বলেন, বাইসাইকেল বিতরণে স্বজনপ্রীতির অভিযোগ পাওয়ার পর সাইকেলটি ফেরত নেওয়া হয়েছে। এটি প্রকৃত উপকারভোগীর কাছে পুনরায় বিতরণ করা হবে এবং অন্যান্য সরকারি উপকরণ বিতরণেও অনিয়ম হয়েছে কি না তা তদন্ত করা হবে।