বিশ্ব ফুটবলের সমর্থকদের স্বাগত জানাতে পেরে গর্বিত যুক্তরাষ্ট্র। বাংলাদেশে নিযুক্ত দেশটির কনস্যুল জেনারেল অ্যালবার্ট আর সেয়া যমুনা টেলিভিশনকে জানান, স্বাগতিক হিসেবে এবারের আসরে কিছুটা প্রত্যাশার চাপ রয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্বকাপে ১২ বার অংশগ্রহণের মধ্যে সর্বোচ্চ অর্জন ১৯৩০ সালের সেমিফাইনাল। ১৯৯৪ সালের পর ২০২৬ সালে দেশটি আবারও হোস্ট কান্ট্রি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছে। এবারের বিশ্বকাপে তারা রাউন্ড অব থার্টি টুতে পৌঁছেছে।
অ্যালবার্ট আর সেয়া বলেন, "১৯৯৪ সালে যখন আমরা স্বাগতিক ছিলাম, তখন বিশ্বকাপে অংশগ্রহণটাই ছিল আনন্দের। কিন্তু এবারের পরিস্থিতি ভিন্ন। যুক্তরাষ্ট্রের ফুটবল সংস্কৃতি এখন অনেক পরিণত।" তিনি উল্লেখ করেন যে, এটি তার প্রথম বিশ্বকাপ নয়, এর আগে পুরুষদের পাঁচটি এবং নারীদের একটি বিশ্বকাপ সরাসরি দেখেছেন।
তিনি জানান, "আমার দৃঢ় বিশ্বাস, যুক্তরাষ্ট্র এবারের আসরে অন্তত কোয়ার্টার ফাইনালে যাবে এবং সেমিফাইনালেও পৌঁছানোর সামর্থ্য রাখে।"
অন্যদিকে, ইউএস অ্যাম্বাসির পাবলিক এঙ্গেজমেন্টের ডিরেক্টর স্কট হার্টম্যান জানান, যুক্তরাষ্ট্রের নারী দল বিশ্ব ফুটবলের পরাশক্তি এবং পুরুষ দলও সেই পথে হাঁটতে শুরু করেছে। তিনি বলেন, "যুক্তরাষ্ট্র কোয়ার্টার ফাইনালে উঠতে পারলেই সেটি হবে অসাধারণ অর্জন।"
এবারের বিশ্বকাপ ঘিরে পৃথিবী জুড়ে রোমাঞ্চ ছড়িয়ে পড়েছে, এবং যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের নানা প্রান্তের সমর্থকদের স্বাগত জানাতে পেরে খুশি।