গাজা সিটির দক্ষিণ-পশ্চিমে আল-রাশিদ সড়কে ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় পুলিশপ্রধান কর্নেল জামাল আবু কামিল নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার হামলার সময় তাঁর গাড়িকে লক্ষ্য করে তিনটি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়, যার ফলে তিনি নিহত হন। এ ঘটনায় আরও দুজন আহত হয়েছে।
গাজার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এই হত্যাকাণ্ডটি ইসরায়েলের এক সপ্তাহের বিমান হামলার বিরতি শেষ হওয়ার একদিন পর ঘটে। যদিও বিমান হামলার বিরতি চলাকালীন স্থল হামলা অব্যাহত ছিল। অক্টোবরে স্বাক্ষরিত তথাকথিত যুদ্ধবিরতি ইসরায়েল নিয়মিতভাবে লঙ্ঘন করে চলেছে।
ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী দাবি করেছে, তারা আবু কামিলকে ‘হুমকি’ হিসেবে লক্ষ্যবস্তু করেছে এবং অভিযোগ করেছে যে তিনি হামাসের একজন কমান্ডার ছিলেন। তবে গাজার পুলিশ বাহিনী এই দাবি অস্বীকার করে জানায়, ‘আবু কামিল পুলিশের দায়িত্ব পালনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ছিলেন এবং অন্য কোনো কর্মকাণ্ডের সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পর্ক ছিল না।’
হামাসও এই হত্যাকাণ্ডের নিন্দা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছে, যেখানে এটিকে ‘দখলদারদের হাতে ফিলিস্তিনি জনগণের বিরুদ্ধে সংঘটিত নৃশংস অপরাধের ধারাবাহিকতা’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। তারা বলেছে, এই হামলা গাজা উপত্যকায় বিশৃঙ্খলা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ছড়িয়ে দেওয়ার একটি করুণ প্রচেষ্টা।
বৃহস্পতিবার এর আগে দক্ষিণ গাজার খান ইউনিসে একটি মোটরসাইকেলে হামলা চালানো হয়, যেখানে মোটরসাইকেলে থাকা দুজনের একজন নিহত এবং অন্যজন গুরুতর আহত হন।