দেশে বর্ষাকালে পর্যাপ্ত বৃষ্টি হচ্ছে না, যা কৃষি উৎপাদনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, গত চার বছর ধরে এই প্রবণতা চলছে।
এখন বাংলায় বর্ষাকাল চলছে, কিন্তু আকাশে কাজলকালো মেঘের ঘনঘটা দেখা যাচ্ছে না। বরং, বর্ষা মৌসুম শুরুর আগে ও পরে বেশি বৃষ্টি হচ্ছে। দীর্ঘক্ষণ ভারি বৃষ্টির অভাব দেখা দিয়েছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, জুন মাসে স্বাভাবিক বৃষ্টি হওয়ার পরিমাণ ৪৫৯ মিলিমিটার হওয়া উচিত, কিন্তু বর্তমানে প্রায় ৬০ ভাগ বৃষ্টি কম হয়েছে। মাসের শেষের দিকে এই ঘাটতি পূরণ হওয়ার আশা নেই।
জলবায়ু বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, গত বছরের নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত শীতকাল ছিল বৃষ্টি শূন্য। মার্চে ৩৫ ভাগ এবং এপ্রিলে ৮৬ ভাগ বেশি বৃষ্টি হলেও মে মাসে ১০ ভাগ বাড়তি বৃষ্টি হয়েছে।
জ্যেষ্ঠ আবহাওয়াবিদ ড. বজলুর রশিদ বলেন, সাধারণত এই সময় সাগরে লঘুচাপ বা নিম্নচাপ হয়, যা টানা দু-তিন দিন বৃষ্টি এনে দেয়। কিন্তু এ বছর মে-জুন মাসেও সাগরে লঘুচাপ নেই।
অস্ট্রেলিয়ার কারটিন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. আশরাফ দেওয়ান জানান, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বর্ষা এবং শীত মৌসুমের সময়ও পরিবর্তিত হচ্ছে। এটি বাংলাদেশের কৃষির জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ।