সুপার এল নিনোর প্রভাবে বিশ্বব্যাপী কৃষি উৎপাদনে মারাত্মকভাবে ব্যাহত হওয়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, চরম আবহাওয়ার কারণে ফসলের উৎপাদন ১৪ দশমিক ৩ শতাংশ পর্যন্ত কমতে পারে।
মার্কিন ন্যাশনাল ওশেনিক অ্যান্ড অ্যাটমোস্ফিয়ারিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশন জানিয়েছে, ২০২৬-২৭ সালের এল নিনোর চক্রটি বিশ্বজুড়ে বন্যা ও খরার ঝুঁকি বাড়িয়ে ফসল উৎপাদন এবং খাদ্য সরবরাহকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।
গোল্ডম্যান স্যাক্সের বিশ্লেষকেরা উল্লেখ করেছেন, এল নিনো ইতিমধ্যেই খাদ্য উৎপাদনে প্রভাব ফেলতে শুরু করেছে, যার ফলে বিশ্ববাজারে খাদ্যপণ্যের দাম ১৫ দশমিক ৮ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারতের বর্ষা মৌসুমে শুষ্ক আবহাওয়া দেখা দিয়েছে, যেখানে কিছু অঞ্চলে স্বাভাবিকের তুলনায় মাত্র ২৫ শতাংশ বৃষ্টিপাত হয়েছে।
এদিকে, ব্যাংক ইউনিক্রেডিটের তথ্য অনুযায়ী, সুপার এল নিনোর কারণে বিশ্বব্যাপী কৃষি উৎপাদন ১৪ দশমিক ৩ শতাংশ পর্যন্ত থমকে যেতে পারে, যার ফলে আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়াতে পারে প্রায় ৩৪ হাজার ২০০ কোটি ডলার।
বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন যে, খাদ্যপণ্যের দাম ১০ থেকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে, যার মধ্যে সবচেয়ে বেশি বাড়তে পারে চাল, চিনি, কফি ও পাম অয়েলের দাম।