লালমনিরহাটের আদিতমারীতে শিশু হত্যার ঘটনায় বিধান রায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। এ ঘটনায় তার বাবা রনজিতকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অপরদিকে, বিধানের মা এখনও গ্রেপ্তার হননি।
পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় দুটি মামলা দায়ের হয়েছে, যেখানে আসামির সংখ্যা দেড় হাজার। গ্রেপ্তার আতঙ্কে আদিতমারী উপজেলার ফলিমারী গ্রাম পুরুষশূন্য হয়ে পড়েছে।
নন্দিনী নামের সাত বছরের একমাত্র মেয়েকে হারিয়ে তার মা সাবিত্রী রায় শোক প্রকাশ করেছেন। বাকরুদ্ধ বাবা নলিনী বর্মণও গভীর শোকে আছেন। পুরো গ্রাম এই শোকের আবহে রয়েছে।
নন্দিনী নিখোঁজ হওয়ার পর থানায় অভিযোগ দায়ের করলে হয়তো তাকে বাঁচানো সম্ভব হতো, এই অভিযোগ করেছেন তার বাবা-মা। মঙ্গলবার নন্দিনীর মরদেহ উদ্ধারের পর অভিযুক্ত বিধান রায়ের বাড়িতে হামলা চালায় বিক্ষুব্ধ জনতা।
পুলিশ ও প্রশাসনের ওপর হামলার ঘটনা ঘটলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করা হয়। লালমনিরহাটের পুলিশ সুপার মো. আসদুজ্জামান জানিয়েছেন, সিসিটিভি ফুটেজ পর্যবেক্ষণ করে দোষীদের আইনের আওতায় আনার প্রক্রিয়া চলছে।
নন্দিনী হত্যা মামলায় বিধান রায়ের পাশাপাশি আরও দুই আসামি রয়েছে। বুধবার বিধান রায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।