বাংলাদেশের খুলনায় অবস্থিত ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনার শ্রী পবন কুমার বলেছেন, বাংলাদেশ–ভারত ফ্রেন্ডশিপ পাওয়ার প্লান্ট বর্তমানে বাংলাদেশের মোট জাতীয় চাহিদার ১০-১২% পূরণ করছে। তিনি এই প্রকল্পকে দুই দেশের সম্পর্কের একটি অনন্য উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
শ্রী কুমার বুধবার সকালে রামপালে আন্তর্জাতিক ইয়োগা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেন, 'এটি এখন বাংলাদেশের একটি মর্যাদাপূর্ণ প্রকল্প।' তিনি প্লান্টে কর্মরত বাংলাদেশি ও ভারতীয় কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, 'আপনাদের কঠোর পরিশ্রমের কারণে এই মর্যাদা অর্জিত হয়েছে।'
তিনি সকলের প্রতি আহ্বান জানান এই অবস্থানকে ধরে রাখতে। অনুষ্ঠানে তিনি ইয়োগার গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং বলেন, 'ইয়োগা শুধুই শারীরিক সুস্থতার বিষয় নয়, এটি মানুষের মানসিক সুস্থতাকেও বাড়িয়ে তোলে।'
শ্রী কুমার আরও বলেন, '২০১৪ সালে জাতিসংঘে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রস্তাবের পর সারা বিশ্বে ইয়োগা দিবস পালন করা হয় ২১ জুন।' তিনি উল্লেখ করেন যে, ভারতীয় হাইকমিশনসমূহ বছরে দুইবার ইয়োগা দিবসের কার্যক্রম পালন করে থাকে।
অনুষ্ঠানে তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের এজিএম আশিষ সাহার সঞ্চালনায় উপস্থিত ছিলেন খুলনাস্থ ভারতীয় সহকারী হাই কমিশনারের সহধর্মিনী সোনিকা পান্নু, রামপাল বাংলাদেশ-ভারত ফ্রেন্ডশিপ তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ডিপিডি মো. আলাউদ্দিন, মানবসম্পদ বিভাগের ইনচার্জ মো. ওজিউর রহমান প্রমুখ। অতিথিরা ইয়োগা কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেন।