চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানায় মহাবিপন্ন হলুদ কাছিমের পাঁচটি নতুন বাচ্চা জন্ম নিয়েছে, যা প্রজাতিটির মোট সংখ্যা ১৬-এ নিয়ে এসেছে। চিড়িয়াখানার কর্তৃপক্ষ জানায়, এই বাচ্চাগুলোকে ডিম ফুটে বের হওয়ার পর বিশেষ যত্নে রাখা হচ্ছে।
বাচ্চাগুলো বড় হলে, তাদের পিঠে ট্রান্সমিটার লাগিয়ে প্রকৃতিতে ছেড়ে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। একসময় চট্টগ্রাম, সিলেট, মিয়ানমার, নেপাল, ভুটান ও থাইল্যান্ডে এই প্রজাতিটি প্রচুর ছিল, তবে বর্তমানে তাদের সংখ্যা দ্রুত কমে যাচ্ছে।
আন্তর্জাতিক প্রকৃতি সংরক্ষণ সংস্থা আইইউসিএনের তথ্য অনুযায়ী, আগামী দশ বছরের মধ্যে হলুদ কাছিমের প্রজাতিটি পৃথিবী থেকে বিলুপ্ত হয়ে যেতে পারে। এই পরিস্থিতিতে চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানায় প্রজাতিটির সংখ্যা বৃদ্ধিকে একটি বড় সাফল্য হিসেবে দেখা হচ্ছে।
চিড়িয়াখানার ভেটেরেনারি কর্মকর্তা ডা. মো. সারোয়ার উদ্দিন বলেন, ‘এখন থেকেই সংরক্ষণ করা না গেলে আগামী দশ বছরে এই প্রজাতির কাছিম বিলুপ্ত হয়ে যেতে পারে।’
চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানার ডেপুটি কিউরেটর ডা. শাহাদাত হোসেন শুভ জানান, ‘বিশ্বব্যাপী এই প্রজাতির সংখ্যা কমছে। তাই বিশেষ যত্নে তাদের বাঁচিয়ে তোলার চেষ্টা চলছে।’ নতুন বাচ্চাগুলোকে চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ বিশেষ পরিচর্যায় রেখেছে।