সোমবার, ১৫ জুন, ২০২৬
ব্রেকিং
আন্তর্জাতিক

রাশিয়ার হামলায় ইউক্রেনে নিহত ৯, কিয়েভের ঐতিহাসিক গির্জায় আগুন

রাশিয়ার হামলায় ইউক্রেনে নিহত ৯ জন, কিয়েভের ঐতিহাসিক গির্জায় আগুন লাগে।

রাশিয়ার হামলায় ইউক্রেনে নিহত ৯, কিয়েভের ঐতিহাসিক গির্জায় আগুন

রাশিয়ার একটি বড় মিসাইল ও ড্রোন হামলায় ইউক্রেনের বিভিন্ন শহরে অন্তত ৯ জন নিহত হয়েছে। হামলাটি কিয়েভ, খারকিভসহ অন্যান্য শহরে সংঘটিত হয় এবং এতে ১ লাখ ৪০ হাজার বাড়িতে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

এই হামলায় কিয়েভের ইউনেস্কো-তালিকাভুক্ত ডরমিশন গির্জায় আগুন লেগে যায়। ইউক্রেনীয় কর্মকর্তাদের মতে, এটি কয়েক মাসের মধ্যে কিয়েভের সাংস্কৃতিক ও নাগরিক অবকাঠামোর বিরুদ্ধে সবচেয়ে ধ্বংসাত্মক আকাশপথের বোমাবর্ষণ।

কিয়েভ-পেচার্স্ক ল্যাভরা জাতীয় সংরক্ষণাগারের পরিচালক মাক্সিম ওস্তাপেঙ্কো জানিয়েছেন, রাশিয়ার একটি কামিকাজে ড্রোন গির্জার ছাদের ওপর সরাসরি আঘাত করেছে, যার ফলে প্রায় ৮০০ বর্গমিটার এলাকা আগুনে পুড়ে যায়।

ডরমিশন গির্জা ইউক্রেনীয় অর্থোডক্স ধর্মের একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান। উদ্ধারকর্মীরা আগুনে পুড়ে যাওয়া গির্জা থেকে মূল্যবান আইকন ও ধর্মীয় সম্পদ উদ্ধার করতে মানব শৃঙ্খল তৈরি করে।

সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, হামলায় ওলেক্সান্ড্র দোভঝেঙ্কো জাতীয় চলচ্চিত্র স্টুডিওরও ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে, যেখানে প্রধান পোশাক সংগ্রহ ধ্বংস হয়েছে।

ইউক্রেনের অর্থোডক্স গির্জার প্রধান মেট্রোপলিটন এপিফানিয়াস I হামলাটিকে মানবতার বিরুদ্ধে একটি অপরাধ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

স্থানীয় চ্যানেলগুলো জানিয়েছে, মস্কো কিয়েভের দিকে ১৫টি উচ্চ-গতির ব্যালিস্টিক মিসাইল ও বহু কামিকাজে ড্রোন ব্যবহার করেছে। কিয়েভের মেয়র ভিটালি ক্লিচকো জানান, হামলায় ২০ জন আহত হয়েছে, যার মধ্যে একটি শিশু ও গর্ভবতী নারীও রয়েছে।

খারকিভে একটি "ডাবল-ট্যাপ" হামলায় পাঁচজন রাষ্ট্রীয় জরুরি সেবা কর্মী নিহত হয়েছে। প্রথম আক্রমণের পরে দ্বিতীয় ড্রোন হামলা চালানো হয়েছিল, যা উদ্ধারকর্মীদের লক্ষ্যবস্তু করে।

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন আলাদা আলাপচারিতায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাথে ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে আলোচনা করেছেন।

বিজ্ঞাপন