চট্টগ্রামের রাউজানে প্রকাশ্য দিবালোকে যুবদল নেতা মাকসুদুল হক মাসুদ হত্যার ঘটনায় জড়িত সন্ত্রাসী ‘রায়হান গ্রুপ’ সদস্যদের শনাক্ত করেছে পুলিশ। ঘটনার সময় সিসিটিভি ফুটেজে অস্ত্রধারী পাঁচজনকে দেখা গেছে। তাদের মধ্যে গোলাপী শার্ট পরা দিদার, মাথায় ক্যাপ দেওয়া মোহাম্মদ জাহেদ, কালো জিন্স ও জলপাই রঙের শার্ট পরা মোহাম্মদ ইলিয়াছ, পিস্তল হাতে সাদা প্যান্ট ও কালো টি-শার্ট পরা ইউছুপ এবং শর্ট গান হাতে আবছার রয়েছেন।
পুলিশ জানিয়েছে, এই পাঁচজনই শীর্ষ সন্ত্রাসী রায়হান আলমের কিলার স্কোয়াডের সদস্য। হত্যাকাণ্ডের দুই দিন পর নিহত মাসুদের বড় ভাই প্রধান আসামি রায়হানসহ বাকিদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। তবে পুলিশ এখনও কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি।
স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, প্রশাসন সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর শক্তিশালী নেটওয়ার্ক এবং প্রভাবশালীদের ছায়ার কাছে অসহায়। রাউজানে গত আড়াই বছরে ২৫ জন হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন। স্থানীয় যুবদল সভাপতি এম শাহজাহান সাহিল বলেন, ‘এ ধরনের কর্মকাণ্ড বেড়ে গেলে রাউজানের প্রতি দেশের মানুষের ধারণা খারাপ হচ্ছে।’
চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম জানান, সন্ত্রাসীরা এলাকায় সুবিধা পাচ্ছে এবং তাদের শনাক্ত করা হয়েছে। তবে তারা জামিনে বের হয়ে আসছে। গত ১৩ জুন রাউজানের পাহাড়তলী চৌমুহনী বাজারে সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত হন যুবদল নেতা মাসুদ। পুলিশ জানিয়েছে, এই হত্যাকাণ্ডের নির্দেশদাতা দুবাইয়ে পলাতক সন্ত্রাসী সাজ্জাদ আলী খান।