ফেসবুক পরিচয়ের সূত্রে এক বিধবা নারীকে ধর্ষণ ও জোরপূর্বক গর্ভপাত করানোর অভিযোগে ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় নেতা জিসান মিয়া প্রধানকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (১৬ জুন) বিকেলে কুমিল্লার ৩ নম্বর আমলী আদালতের বিচারক তৈয়ব উদ্দিন এই আদেশ দেন।
জানা গেছে, জিসানের বিরুদ্ধে অভিযোগটি দায়ের করা হয় ভুক্তভোগী নারীর পক্ষ থেকে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকের মাধ্যমে তাদের মধ্যে পরিচয় গড়ে ওঠে এবং এক পর্যায়ে প্রেমের সম্পর্ক তৈরি হয়। সম্পর্কের জেরে জিসান ওই নারীকে ধর্ষণ করেন, পরে গর্ভবতী হয়ে পড়লে তাকে জোরপূর্বক গর্ভপাত করাতে বাধ্য করেন।
জিসান বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিলেও পরে যোগাযোগ বন্ধ করে আত্মগোপনে চলে যান। দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থাকার পর, গত শুক্রবার রাতে কুমিল্লার লাকসাম রেলওয়ে জংশন এলাকা থেকে তাকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে পুলিশ।
উদ্ধারের পরই ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে জিসানকে প্রধান আসামি করে মোট চারজনের বিরুদ্ধে দাউদকান্দি থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। উদ্ধারের পর থেকে পুলিশ পাহারায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন জিসান। আজ হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পাওয়ার পর আদালতে তোলা হলে বিচারক জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।