২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে সরকারের লক্ষ্য হলো কর জিডিপি অনুপাত ১০ শতাংশে উন্নীত করা। তবে বিশ্লেষকদের মতে, প্রশাসনের দুর্বলতা থাকলে এই লক্ষ্য অর্জন কঠিন হবে।
বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে বাজেট পেশের সময় অর্থমন্ত্রী বলেন, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ৬ লাখ ৪ হাজার কোটি টাকা আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে, যা মোট আয়ের ৮৬ শতাংশ। কিন্তু চলতি অর্থবছরের ১০ মাসে এনবিআরের ঘাটতি ১ লাখ কোটি টাকায় পৌঁছেছে।
বিশ্লেষকরা উল্লেখ করেন, শিল্পায়ন ছাড়া সরকারের রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করা সম্ভব নয়। সিপিডির ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, ‘দেশীয় শিল্প সুরক্ষা এবং সাধারণ ভোক্তাদের স্বস্তি দিতে শুল্ক-করে ছাড় ও যৌক্তিকীকরণ করেছে সরকার।’
আয়কর বিশ্লেষক স্নেহাশীষ বড়ুয়া জানান, ‘শুধু কর আওতা বাড়ানো নয়, রাজস্ব বিভাগের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত না হলে লক্ষ্য পূরণ কঠিন হবে।’ বাজেটে করের আওতা বাড়ানোর পাশাপাশি কর ছাড়ের বিষয়টিও গুরুত্ব পেয়েছে।
বিশ্লেষকরা সতর্ক করেছেন যে, রাজস্ব বৃদ্ধির জন্য এনবিআরের করনীতি এবং বাস্তবায়ন আলাদা করা প্রয়োজন। এই প্রেক্ষাপটে সরকারের বাজেট পরিকল্পনা কার্যকর হলে দেশের অর্থনীতি উন্নত হবে বলে তারা মনে করেন।