মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬
ব্রেকিং
সিয়াটলে ফুড ফেস্টিভ্যালে বন্দুক হামলায় নিহত ২, আহত ৫ সিয়াটলে ফুড ফেস্টিভ্যালের কাছে গোলাগুলিতে দুইজন নিহত, আহত পাঁচ চেরনিহিভে রাশিয়া-ইউক্রেন সংঘর্ষে ১০ জন নিহত, শিশু অন্তর্ভুক্ত রাজবাড়ীতে ট্রেনের বিচ্ছিন্ন বগির ধাক্কায় নিহত ২, আহত ৬ ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীদের হামলা, পশ্চিম তীরে মসজিদ পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে ফ্রান্স ও স্পেনে দাবানলে বিপর্যয়, তিন লাখ মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ে ফ্রান্স ও স্পেনে দাবানলে তিন লাখের বেশি মানুষ ঘরছাড়া বার্লিনে সমকামীদের প্রাইড শোভাযাত্রায় গাড়িচাপা, নিহত ১ ফ্রান্স ও স্পেনে ভয়াবহ দাবানল, ৩ লাখের বেশি মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ে মাদকাসক্ত ছেলের ছুরিকাঘাতে চট্টগ্রামে দম্পতির মৃত্যু
অর্থনীতি

২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা

২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা

২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে সরকার করছাড় দিয়ে করের আওতা বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে। শহর থেকে গ্রাম এবং সব স্তরের মানুষের জন্য করের আওতায় আনা হচ্ছে। এর ফলে রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এতে উল্লেখ করা হয়েছে, এনবিআর থেকে ৬ লাখ ৪ হাজার কোটি টাকা আদায়ের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। সরকার আশা করছে, কর জিডিপি ১৫ শতাংশে উন্নীত করতে সক্ষম হবে। তবে ফাঁকি রোধ ও অব্যাহতির সংস্কৃতি থেকে বের হওয়া হবে মূল চ্যালেঞ্জ।

বাজেটের আকার ও জিডিপির প্রবৃদ্ধি বিবেচনায় অভ্যন্তরীণ রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়, যার ৮৬ শতাংশই সংগ্রহ করে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।

সরকার মধ্য মেয়াদে কর জিডিপি অনুপাত ১০ শতাংশ এবং দীর্ঘমেয়াদে ২০৩৫ সালের মধ্যে ১৫ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। আগামী অর্থবছরের জন্য রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা হবে।

এনবিআর আয়কর ও ভ্যাট যথাক্রমে ৩৭ শতাংশ এবং কাস্টমস ২৬ শতাংশ আদায় করবে। ব্যক্তি করদাতাদের স্বস্তি দিতে আগামী দুই অর্থবছরের জন্য করমুক্ত আয়সীমা বেড়ে ৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানান, 'রাজস্ব আয় প্রাক্কলন করা হয়েছে, যা জিডিপির ১০ দশমিক ২ শতাংশ। এর মধ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের মাধ্যমে ৬ লাখ ৪ হাজার কোটি টাকা এবং অন্যান্য উৎস থেকে ৯১ হাজার কোটি টাকা সংগ্রহ করার প্রস্তাব করছি।'

তবে করমুক্ত আয়ের সীমায় স্বস্তি দিলেও কর হার বৃদ্ধি করা হয়েছে। প্রতি স্লাবে ৫ শতাংশ হারে বেড়ে ১০ থেকে ৩০ শতাংশ পর্যন্ত হয়েছে। পরবর্তী দুই বছরের জন্য করমুক্ত সীমা ৪ লাখ টাকা এবং পরবর্তী ১ বছরের জন্য সাড়ে ৪ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এছাড়া, ৩ কোটি টাকার ওপরে আয়ের ওপর ৩৫ শতাংশ করারোপ করা হয়েছে। কর ও ভ্যাটের আওতা বাড়ানোর সাথে সাথে ব্যবসায়িক ব্যাংক হিসাব খুললে ভ্যাট আইডেন্টিফিকেশন নম্বর নিতে হবে। স্টার্টআপ, কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও ফ্রিল্যান্সারদের জন্য ভ্যাট অব্যাহতি থাকবে।

স্বর্ণের ভরিতে ৫ শতাংশ ভ্যাটের পরিবর্তে সুনির্দিষ্ট আড়াই হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ব্যাংক স্থিতির ওপর আবগারী শুল্ক অব্যাহতির সীমা ৪ লাখ টাকা। ব্যাংক একাউন্টে টিআইএন সার্টিফিকেট লাগবে।

বিজ্ঞাপন