জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) আগামী বাজেটে ছোট ব্যবসায়ীদের জন্য ভ্যাট নিবন্ধন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা করছে। বর্তমানে দিনে গড়ে সাড়ে ৫ হাজার টাকা বিক্রি করা ব্যবসায়ীরাও এই নিয়মের আওতায় আসবেন।
এনবিআরের নতুন উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য হল গ্রাম ও মফস্বল এলাকার ছোট ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে করের আওতায় আনা। ভ্যাটের পরিধি বাড়াতে এনবিআর এই পদক্ষেপ গ্রহণ করছে।
নতুন নিয়ম অনুযায়ী, ব্যবসায়িক ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলার জন্য ভ্যাট আইডেন্টিফিকেশন নাম্বার (ভ্যাট আইডি) বাধ্যতামূলক হবে। এছাড়া, জমি বা গাড়ির নিবন্ধন এবং বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পানির সংযোগের জন্যও ভ্যাট নিবন্ধনের প্রয়োজন হবে।
এনবিআর ২০ লাখ ভ্যাট নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা অর্জনের লক্ষ্যে কাজ করছে। আগামী অর্থবছরের বাজেটে বার্ষিক টার্নওভারের সীমা ১০ লাখ টাকা থেকে ২০ লাখ টাকায় কমানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর জানান, ডিজিটাল ট্র্যাকিংয়ের মাধ্যমে কর ফাঁকি দেয়ার প্রবণতা কমবে। তিনি বলেন, “লেনদেনগুলো স্বচ্ছ আকারে হলে তা কর ব্যবস্থায় প্রতিফলিত হবে।”
ডিজিটাল লেনদেনের উপর জোর দেওয়া হলেও, নজরদারি বাড়ানোর পরিকল্পনাও রয়েছে। মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসে পেমেন্ট অ্যাকাউন্ট খোলার জন্যও ভ্যাট নিবন্ধনের প্রয়োজন হবে, যার মাধ্যমে ভ্যাট আদায় ও জমা স্বয়ংক্রিয়ভাবে শনাক্ত হবে।