আগামী সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগে সংগঠনের শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য বিএনপি ৫ আগস্ট ২০২৪ থেকে প্রায় সাড়ে চার হাজার নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়। দফতরের তথ্য অনুযায়ী, এর মধ্যে দুই হাজার ৬শ'র বেশি নেতাকে বহিষ্কার করা হয়।
নির্বাচনের আগে কিছু সংখ্যক বহিষ্কৃত নেতাকে দলে ফিরিয়ে নেওয়া হলেও, দ্বিতীয় ধাপে নির্বাচনের সময় শৃঙ্খলাবিরোধী কর্মকাণ্ডের কারণে আরও দুই শতাধিক নেতাকর্মী বহিষ্কার হন। এদের মধ্যে অন্তত ১৯০ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেন।
স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিয়ে মাত্র সাতজন জয়ী হন, তাদের মধ্যে একজন ময়মনসিংহ-১ আসনের সালমান ওমর রুবেল। তিনি জানান, দলে ফেরার জন্য আবেদন করেছেন এবং এখন অপেক্ষায় আছেন।
বহিষ্কৃত নেতাদের অনেকেই স্থানীয় বিএনপির রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। বিএনপির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল বলেন, "যাদের দীর্ঘদিনের ত্যাগ রয়েছে, তাদের ফেরানো উচিত।"
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান জানান, বহিষ্কার করা নেতাদের শাস্তি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, তবে এ বিষয়ে দলের পরবর্তী সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় আছেন।
বহিষ্কৃত নেতাদের মধ্যে অনেকে বিএনপির কর্মকাণ্ডে অংশ নিচ্ছেন, আবার কেউ কেউ অন্য দলে যোগ দেওয়ার প্রস্তাব পেলেও স্থানীয় নির্বাচনের অপেক্ষায় রয়েছেন।