গাজীপুরে শ্রমিক আন্দোলনের কারণে অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুরের ঘটনায় পুলিশ তিনটি মামলা করেছে। এসব মামলায় প্রায় চার হাজার ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে। শিল্প পুলিশ দুটি এবং গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ (জিএমপি) একটি মামলা দায়ের করেছে।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, এসব মামলায় অন্তত ৩০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গাজীপুর শিল্পাঞ্চল-২-এর পুলিশ সুপার মো. আমজাদ হোসাইন সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
রোববার সকাল থেকে গাজীপুরের বিভিন্ন এলাকায় পোশাকশ্রমিকদের বিক্ষোভ শুরু হয়। কোনাবাড়ী, কাশিমপুর, মৌচাক, সফিপুর, চন্দ্রা ও পল্লীবিদ্যুৎ এলাকায় শ্রমিকরা ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ করে। এ সময় যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
শ্রমিকদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটে। কোনাবাড়ীতে দুটি পুলিশ বক্সে অগ্নিসংযোগ এবং বিভিন্ন স্থানে যানবাহন ভাঙচুর করা হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে।
পুলিশ সুপার মো. আমজাদ হোসাইন জানান, শ্রমিকেরা বকেয়া মজুরির দাবিতে আন্দোলনে নামেন। আন্দোলনকারীরা যানবাহনে অগ্নিসংযোগ ও মহাসড়ক অবরোধ করেন। পুলিশ ও বিজিবি দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আন্দোলনকারীদের সরিয়ে দেয়।
তিনি আরও বলেন, ‘আন্দোলন শুরুর আধা ঘণ্টার মধ্যে বিভিন্ন স্থানে আন্দোলনকারীদের মহাসড়ক থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। এরপর ধীরে ধীরে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হতে শুরু করে।’