যুক্তরাষ্ট্রের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের (ডিএইচএস) ৪১ হাজারের বেশি কর্মীর ব্যক্তিগত তথ্য একটি অলাভজনক তথ্য ফাঁসকারী গোষ্ঠী প্রকাশ করেছে।
‘ডিস্ট্রিবিউটেড ডিনায়াল অব সিক্রেটস’ (ডিডিওএস) নামের সংগঠনটি জানিয়েছে, ফাঁস হওয়া তথ্যের মধ্যে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অভিবাসনবিরোধী অভিযান বাস্তবায়নের সাথে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের তথ্যও রয়েছে।
ডিডিওএসের সূত্রে জানা যায়, তারা ‘ডিপার্টমেন্ট অব পিস’ নামক একটি হ্যাকটিভিস্ট গোষ্ঠী থেকে এই সংবেদনশীল তথ্য পেয়েছে, যা ‘আইসপিক’ নামের একটি অনুসন্ধান সরঞ্জাম তৈরি করেছে। এই সরঞ্জামের মাধ্যমে কর্মীদের নাম, কার্যালয় ও দায়িত্ব সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়।
ডিডিওএসের কর্মী মাইয়া আরসন ক্রিউ বলেন, ‘এই তথ্যভান্ডার আকার ও প্রভাব—উভয় বিবেচনাতেই বিশাল।’ তিনি আরও জানান, এটি যুক্তরাষ্ট্রের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাংগঠনিক কাঠামো সম্পর্কে নজিরবিহীন ধারণা দেয়।
২০২৫ সালের জানুয়ারিতে ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্ব গ্রহণের পর ডিএইচএস ও আইসিই-এর মাধ্যমে যে কঠোর অভিবাসন অভিযান শুরু করেন, তা এই তথ্য ফাঁসের কেন্দ্রবিন্দু।
ডিডিওএসের সহপ্রতিষ্ঠাতা এমা বেস্ট এই তথ্য ফাঁসের ঘটনাকে ‘অস্বাভাবিক’ হিসেবে অভিহিত করেন। তিনি বলেন, ফাঁস হওয়া তথ্যের মাধ্যমে গোপন ও ছদ্মবেশী অভিযান তদারকির দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তাদের শনাক্ত করা সম্ভব।
ট্রাম্প প্রশাসনের অভিবাসনবিরোধী অভিযানে হাজার হাজার নথিবিহীন অভিবাসীকে আটক ও বহিষ্কার করা হয়েছে। গত মাসে ডিএইচএস জানায়, তারা ‘অভিবাসীদের আশ্রয় দেওয়া শহরগুলোতে’ অভিযান জোরদার করতে যাচ্ছে।
নির্দলীয় গবেষণা প্রতিষ্ঠান মাইগ্রেশন পলিসি ইনস্টিটিউটের তথ্য অনুযায়ী, ট্রাম্প প্রশাসনের অধীনে গত কয়েক মাসে ডিএইচএস গ্রেপ্তার ও বহিষ্কারের কার্যক্রম সম্প্রসারণ করেছে।