শারদীয় দুর্গোৎসবের মহাসপ্তমী আজ উদযাপিত হচ্ছে। পঞ্জিকা অনুযায়ী, এ বছর দুই দিন তিথি থাকায় আগামীকালও মহাসপ্তমী উদযাপন হবে।
সপ্তমী পূজার প্রথম আচার অনুযায়ী, সকালে শাস্ত্রীয় বিধি অনুসারে নবপত্রিকা স্নান ও পূজামণ্ডপে প্রবেশের মাধ্যমে দিনের প্রধান অনুষ্ঠান শুরু হয়। পুরোহিত নয়টি গাছের পাতা বা চারা একত্রিত করে একটি বিশেষ রূপ দেন, যা ‘কলাবৌ’ নামে পরিচিত।
সূর্যোদয়ের পর পুরোহিত মহাশয় ঢাক-ঢোল ও বাদ্যবাজনার সঙ্গে নবপত্রিকাকে নিকটস্থ নদী বা জলাশয়ে নিয়ে যান। সেখানে শাস্ত্রীয় মন্ত্রোচ্চারণ করে নবপত্রিকাকে গঙ্গাজল ও বিভিন্ন পবিত্র উপাদান দিয়ে স্নান করানো হয়।
এরপর নতুন শাড়ি গণেশের ডান পাশে স্থাপন করা হয় এবং প্রতিমায় চক্ষূদান ও প্রাণপ্রতিষ্ঠা, যাকে বিহিত পূজা বলা হয়, সম্পন্ন করা হয়। দেবীকে ষোলটি বিশেষ উপাদান দিয়ে পূজা করা হয়, যার মাধ্যমে মহাসপ্তমীর সকালের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়।
আগামী বুধবার বিজয়া দশমী পর্যন্ত মণ্ডপে ঢাকঢোল ও কাঁসরের বাদ্য বাজতে থাকবে। এ বছর দেবী দুর্গার আগমন ঘোড়ায় এবং ফিরে যাবেন নৌকায়।
বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ জানিয়েছে, এ বছর সারা দেশে ৩৩ হাজার ৮৫১টি পূজামণ্ডপে দুর্গা পূজা অনুষ্ঠিত হবে। গত বছর পূজা হয়েছিল ৩৩ হাজার ৩৫৫টি মণ্ডপে।