বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৬
ব্রেকিং
সুদান-মিশর সীমান্তে স্বর্ণখনিতে বিমান হামলায় ৭২ শ্রমিক নিহত জিবুতি উপকূলে নৌকাডুবিতে ১৩৯ অভিবাসনপ্রত্যাশীর মৃত্যু রিয়াদ বিমানবন্দরে হামলা, নিহত ১; আহত ১১ রিয়াদ বিমানবন্দরে হামলায় ২৪ বাংলাদেশি আহত, দুই নিহত রিয়াদের বিমানবন্দরে বিস্ফোরণের শব্দ, আগুন প্যাসেঞ্জার টার্মিনালে সৌদি বিমানবন্দরে হামলায় নিহত ২ বাংলাদেশির পরিচয় প্রকাশ রিয়াদ বিমানবন্দরে হামলায় নিহত দুই বাংলাদেশির পরিচয় শনাক্ত জিবুতি উপকূলে নৌকাডুবিতে ১০৯ অভিবাসনপ্রত্যাশীর মৃত্যু হুতিদের হামলায় সৌদি বিমানবন্দরে নিহত ১২, যুদ্ধের আশঙ্কা রিয়াদ বিমানবন্দরে হুতিদের হামলায় জাতিসংঘ মহাসচিবের গভীর উদ্বেগ
জাতীয়

ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় আগুনের ঝুঁকি বেড়ে চলেছে

ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় আগুনের ঝুঁকি বাড়ছে, বিশেষজ্ঞদের উদ্বেগ।

ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় আগুনের ঝুঁকি বেড়ে চলেছে

ফায়ার কোড না মেনে কারখানা গড়ে তোলার কারণে ঘনবসতিপূর্ণ আবাসিক এলাকায় আগুনের ঝুঁকি ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, নিরাপত্তাব্যবস্থার ঘাটতি এবং আইন প্রয়োগে শিথিলতা এই বিপদের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

নিমতলী ও চুড়িহাট্টার ভয়াবহ ট্র্যাজেডির পরেও পরিস্থিতির পরিবর্তন হয়নি। সর্বশেষ ১২ অক্টোবর চকবাজারের মনজুর খান প্লাজার একটি দোকানে লাগা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে ১২ ঘণ্টা সময় লেগেছে। এর পরপরই টঙ্গীর চেরাগ আলীতে ড্রাগ ইন্টারন্যাশনালের আগুন আবারও পুরোনো প্রশ্ন তুলে ধরেছে, কত প্রাণহানির পর কর্তৃপক্ষের টনক নড়বে?

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, সরু গলির বাধা এবং রাসায়নিক গোডাউনে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা না থাকার কারণে বিপদ আরও বাড়ছে। ফায়ার সার্ভিসের সাবেক পরিচালক মেজর (অব.) এ কে এম শাকিল নেওয়াজ বলেন, "দুর্যোগ মন্ত্রণালয়কে অবশ্যই হস্তক্ষেপ করতে হবে। এত বড় ফ্যাক্টরিতে পানির অভাব কেন?"

তিনি আরও বলেন, "এখানে সিটি কর্পোরেশন, ডিসি অফিস এবং ফায়ার সার্ভিস কিভাবে লাইসেন্স দিল?" ফায়ার সার্ভিস জানায়, চুড়িহাট্টার অগ্নিকাণ্ডের পর তদন্ত কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী আবাসিক এলাকায় রাসায়নিকের দোকান বা গুদাম নিষিদ্ধ করা হয়নি।

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সাবেক মহাপরিচালক ব্রি. জেনারেল (অব.) আলী আহমদ খান বলেন, "আগুন লাগার ঘটনা ঘটলে ফ্যাক্টরি এমনভাবে তৈরি করতে হবে যেন ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি যেতে পারে।"

তিনি বলেন, "জরুরী অবস্থায় বাইরে থেকে ফায়ার ইকুয়িপমেন্ট সেট করার পজিশন থাকতে হবে।" আগুনের ঝুঁকি কমাতে রাজউক, সিটি করপোরেশন, ঢাকা ওয়াসা, স্থানীয় ব্যবসায়ী এবং বাড়িওয়ালাদের সমন্বিত উদ্যোগ এবং আইনের কঠোর প্রয়োগ জরুরি বলেও মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।

বিজ্ঞাপন