আলোচিত সংসদ সদস্য আহসান উল্লাহ মাস্টার হত্যা মামলায় দীর্ঘ ২২ বছর কারাভোগের পর জামিনে মুক্তি পেয়েছেন টঙ্গীর শ্রমিক নেতা নুরুল আমিন। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) আদালতের জামিনের আনুষ্ঠানিক আদেশ কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে পৌঁছানোর পর তিনি মুক্তি লাভ করেন।
কারামুক্তির সংবাদে সকাল থেকেই কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগারের প্রধান ফটকের সামনে জড়ো হতে থাকেন নুরুল আমিনের বিপুলসংখ্যক রাজনৈতিক অনুসারী, সহকর্মী ও পরিবারের সদস্যরা। কারাগারের প্রধান ফটক দিয়ে বেরিয়ে আসার পর তাঁকে ফুলের মালা পরিয়ে এবং স্লোগান দিয়ে উষ্ণ সংবর্ধনা জানান অনুসারীরা।
মুক্তির পর এক প্রতিক্রিয়ায় নুরুল আমিন বলেন, "আলোচিত আহসান উল্লাহ মাস্টার হত্যা মামলায় সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও ষড়যন্ত্রমূলকভাবে আমাকে আসামি করা হয়েছিল। বিগত সরকার রাজনৈতিক প্রতিহিংসার বশবর্তী হয়ে আমাকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে রেখে অমানুষিক নির্যাতন চালিয়েছে।"
তিনি আরও জানান, "দীর্ঘ দুই দশকেরও বেশি সময় পর ন্যায়বিচারের পথ সুগম হওয়ায় আমি আদালত ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।"
উল্লেখ্য, নুরুল আমিন স্থানীয় শ্রমিক রাজনীতি ও টঙ্গী থানা যুবদলের সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি হিসেবে দীর্ঘদিন সক্রিয় দায়িত্ব পালন করেছেন। তার এই কারামুক্তিতে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন পরিবার ও স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাকর্মীরা।