সোমবার, ০৫ অক্টোবর, ২০২৬
ব্রেকিং
জাতীয়

নেতানিয়াহুর নির্দেশে ইসরায়েলে বিদেশি ফ্লাইটের নিরাপত্তা পর্যালোচনা

ইসরায়েলে ফ্লাইদুবাইয়ের হামলার পর বিদেশি ফ্লাইটের নিরাপত্তা পর্যালোচনার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু।

নেতানিয়াহুর নির্দেশে ইসরায়েলে বিদেশি ফ্লাইটের নিরাপত্তা পর্যালোচনা

দুবাই থেকে ইসরায়েলগামী ফ্লাইদুবাইয়ের একটি উড়োজাহাজে সহকারী পাইলটের হামলার ঘটনার পর ইসরায়েল সরকার আন্তর্জাতিক ফ্লাইটগুলোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা পর্যালোচনার নির্দেশ দিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এই নির্দেশনা দিয়েছেন।

রোববার (৪ অক্টোবর) নেতানিয়াহুর কার্যালয় থেকে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে জানানো হয়, জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের প্রধান শ্মুয়েল বেন এজরাকে বিদেশি বেসামরিক বিমান চলাচলের নিরাপত্তা ব্যবস্থার সব দিক খতিয়ে দেখতে একজন পরীক্ষক নিয়োগের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

গত বুধবার ফ্লাইদুবাইয়ের ফ্লাইটে সহকারী পাইলটের হামলার ঘটনা ঘটে, যেখানে অভিযোগ রয়েছে যে, ওমানের নাগরিক ওই সহকারী পাইলট ভারতীয় ক্যাপ্টেনকে ছুরিকাঘাত করার পর উড়োজাহাজটি বিধ্বস্ত করার চেষ্টা করেন। ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তার উদ্দেশ্য ছিল উড়োজাহাজটি ইসরায়েলের ভূখণ্ডে বিধ্বস্ত করা।

ঘটনার পর নিরাপত্তাব্যবস্থার ঘাটতি নিয়ে তদন্তের দাবি জোরালো হয়েছে। বিশেষ করে, কূটনৈতিক সম্পর্ক নেই এমন দেশের নাগরিক কীভাবে তেলআবিবগামী ফ্লাইট পরিচালনার অনুমোদন পেলেন, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

পরিবহনমন্ত্রী মিরি রেগেভ নিরাপত্তা ব্যর্থতার দায় অস্বীকার করেছেন। তিনি জানান, বিদেশি এয়ারলাইনগুলোর নিরাপত্তা তদারকির দায়িত্ব মোসাদ ও শিন বেতের আওতাধীন। তবে ২০২৪ সালে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বিদেশি এয়ারলাইনগুলোর নিরাপত্তার দায়িত্ব স্পষ্টভাবে নির্ধারিত হয়নি বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

বিরোধীদলীয় নেতা ইয়ার লাপিদ নেতানিয়াহুর ঘোষিত নিরাপত্তা পর্যালোচনাকে ‘ভুয়া তদন্ত’ বলে আখ্যা দিয়েছেন। তিনি বলেন, ঘটনার আগে একের পর এক নিরাপত্তাগত ব্যর্থতা একটি ভয়াবহ বিপর্যয় ডেকে আনতে পারত।

নেতানিয়াহুর প্রতিদ্বন্দ্বী গাদি আইজেনকোটও এই ঘটনায় পরিবহনমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করেছেন। তিনি বলেন, একটি কার্যকর সরকারের জন্য পরিবহনমন্ত্রীর পদত্যাগপত্র দেওয়া উচিত ছিল।

বিজ্ঞাপন