রাজধানীতে উদ্ধার হওয়া অজ্ঞাত মরদেহের অধিকাংশই হত্যার শিকার বলে মন্তব্য করেছেন মানবাধিকার কর্মীরা। তাদের মতে, শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর দক্ষতার ঘাটতি, তথ্যভাণ্ডারের অভাব এবং প্রযুক্তির সীমিত ব্যবহারসহ ৮টি কারণে এই সমস্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে।
বিশ্লেষকরা উল্লেখ করেছেন, হাতিরঝিল, শাহবাগ এবং নদীর আশপাশের এলাকাগুলোকে অজ্ঞাত মরদেহ উদ্ধারের হটস্পট হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। গত ৩ থেকে ৪ বছরে এই ধরনের ঘটনার সংখ্যা ক্রমাগত বেড়ে চলেছে, যা উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, মানবাধিকার সংস্থা এবং বেওয়ারিশ মরদেহ দাফনে পরিচিত আঞ্জুমান মফিদুল ইসলামের তথ্য অনুযায়ী, রাজধানীর শাহবাগ, হাতিরঝিল এবং গুলিস্তানসহ বিভিন্ন স্থানে অজ্ঞাত মরদেহের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রিমিনোলজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান মো. রেজাউল করিম সোহাগ বলেন, “রাষ্ট্রকে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে এবং অজ্ঞাত লাশ পাওয়ার স্থানগুলো পর্যবেক্ষণ করতে হবে।”
মানবাধিকারকর্মী নুর খান লিটন জানান, অপরাধীরা বর্তমানে এই বিষয়গুলোতে যথেষ্ট সচেতন এবং তাদের কার্যক্রমকে পাশ কাটানোর চেষ্টা করছে।
বাংলাদেশ পুলিশের মুখপাত্র এ এইচ এম শাহাদাত হোসাইন বলেন, “অপরাধ প্রবণ এলাকাগুলো চিহ্নিত করে প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর পাশাপাশি সোর্স-নেটওয়ার্ক শক্তিশালী করা হচ্ছে।”
অপরাধ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পুলিশের দক্ষতা বাড়ানোর পাশাপাশি আইনের শতভাগ প্রয়োগও জরুরি।