নাটোরে দুই শিশুর বিরোধের জেরে ৮ বছর বয়সী বায়েজিদ নামে এক শিশুর হাতের আঙুল কেটে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে পুলিশের এক সদস্যের বিরুদ্ধে। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে শহরতলীর বড়হরিশপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান রোড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আহত শিশু বায়েজিদকে প্রথমে নাটোর জেনারেল হাসপাতাল ও পরে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তিনি ব্যাংক কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসানের ছেলে এবং নাটোর পুলিশ লাইনস স্কুলের প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থী।
স্থানীয়দের সূত্রে জানা যায়, মাহমুদুল হাসান বর্তমানে ঢাকায় কর্মরত রয়েছেন। তার স্ত্রী ও সন্তান নাটোরে বসবাস করেন। পুলিশ সদস্য শাকিল আহমেদ, যিনি ব্যাংক কর্মকর্তার বাড়িতে ভাড়া থাকেন, নিয়মিত বায়েজিদের সাথে তার ৪ বছর বয়সী কন্যার সঙ্গে খেলাধুলা করতেন।
কিন্তু খেলাধুলার এক পর্যায়ে দুই শিশুর মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়। অভিযোগ রয়েছে, পুলিশ কনস্টেবল শাকিল বায়েজিদকে তার বাসায় ডেকে নিয়ে গিয়ে ধারাল কিছু দিয়ে তার ডান হাতের একটি আঙুল কেটে দেয়। এ সময় বায়েজিদের চিৎকারে প্রতিবেশীরা সাহায্যে এগিয়ে আসেন।
প্রতিবেশীরা আহত বায়েজিদকে প্রথমে নাটোর জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
নাটোর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মনছুর রহমান জানান, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। কনস্টেবল শাকিল তার শিশু কন্যাকে শারীরিক নির্যাতনের মৌখিক অভিযোগ করেছেন। তবে এখনো কোনো পক্ষ লিখিত অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।