বাংলাদেশে একটি একক ডিজিটাল পরিচয় সরকারি বিভিন্ন সেবা পাওয়ার প্রধান মাধ্যম হিসেবে কাজ করবে। এ লক্ষ্যে সরকার এআই-নির্ভর ডিজিটাল পাবলিক ইনফ্রাস্ট্রাকচার (ডিপিআই) গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছে, জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর টেলিযোগাযোগ ও আইসিটি বিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসাদ।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কে জাতিসংঘের একটি উচ্চপর্যায়ের সাইড ইভেন্টে তিনি বলেন, বাংলাদেশ ইতোমধ্যে এই ব্যবস্থার কাজ শুরু করেছে এবং আগামী ১৮ থেকে ২৪ মাসের মধ্যে এটি চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে।
রেহান আসাদ আরও জানান, বাংলাদেশ বিশ্বের সবচেয়ে ভালো এবং নিরাপদ ডিপিআই এবং ডিজিটাল আইডি বাস্তবায়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আন্তর্জাতিক বিভিন্ন দেশের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে এই উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ এস্তোনিয়ার এক্স-রোড নিয়ে কাজ করছে, যা নিরাপদ তথ্য আদান-প্রদানের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ মডেল হিসেবে বিবেচিত।
জাতিসংঘের মহাসচিবের প্রযুক্তিবিষয়ক দূতের কার্যালয় ও জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির (ইউএনডিপি) যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করে। এখানে বিভিন্ন দেশের ডিপিআইয়ের উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে আলোচনা হয়।
অনুষ্ঠানে আলোচনা হয় কিভাবে বিভিন্ন দেশের ডিজিটাল ব্যবস্থা পরস্পরের সঙ্গে ইন্টারঅপারেবল হতে পারে। এআই ও ডিপিআইয়ের পারস্পরিক সম্পর্ক নিয়েও আলোচনা করা হয়।
রেহান আসাদ বলেন, ভবিষ্যতে ডিপিআই ও ডিজিটাল আইডি সরকারি সেবার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠবে, যা কেবল বাংলাদেশ বা এশিয়া-প্যাসিফিকের বিষয় নয়।