রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
ব্রেকিং
ফিচার

বিশ্ব বাঁশ দিবস: ইতিহাস ও বর্তমান প্রেক্ষাপট

বিশ্ব বাঁশ দিবস ১৮ সেপ্টেম্বর পালন করা হয়, যার উদ্দেশ্য বাঁশের গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি করা।

বিশ্ব বাঁশ দিবস: ইতিহাস ও বর্তমান প্রেক্ষাপট

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ১৮ সেপ্টেম্বর পালন করা হয় বাঁশ দিবস। ২০০৯ সালে থাইল্যান্ডের ব্যাংককে অনুষ্ঠিত অষ্টম বিশ্ব বাঁশ কংগ্রেসে ১৮ সেপ্টেম্বরকে বিশ্ব বাঁশ দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়। এরপর থেকে প্রতিবছর এই দিবসটি পালিত হচ্ছে।

বাঁশ দিবসের মূল উদ্দেশ্য হলো সারা বিশ্বে বাঁশের গুরুত্ব ও সম্ভাবনা সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি করা। বাঁশের ব্যবহার কুটিরশিল্প থেকে শুরু করে নির্মাণকাজ, বাদ্যযন্ত্র ও খাবারের মতো বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিদ্যমান।

বিশ্ব বাঁশ দিবসের সূচনা ১৯৮৪ সালে পুয়ের্তো রিকোতে প্রথম বিশ্ব বাঁশ কংগ্রেসের মাধ্যমে হয়। ২০০৪ সালে ভারতের নয়াদিল্লিতে ষষ্ঠ কংগ্রেসে এটি রূপ নেয় ওয়ার্ল্ড ব্যাম্বু অর্াগানিজেশনে। তবে এটি জাতিসংঘ ঘোষিত কোনো আন্তর্জাতিক দিবস নয়।

২০২৬ সালের বিশ্ব বাঁশ দিবসের বার্তা হলো ‘বাঁশ, সীমানা ছাড়িয়ে’। এবারের আলোচনায় বাঁশের পরিবেশ, অর্থনীতি ও শিল্পে সম্ভাবনার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। গবেষণায় দেখা গেছে, বাঁশের শিকড় মাটির ক্ষয় কমাতে সহায়ক।

বাঁশের অর্থনীতি কেবল কুটিরশিল্পের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। নির্মাণ, আসবাব, প্রকৌশলজাত পণ্য, খাদ্য ও জ্বালানির মতো বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাঁশের ব্যবহার বাড়ানোর চেষ্টা চলছে। বাংলাদেশে বাঁশের কম্পোজিট দিয়ে আসবাব তৈরির প্রযুক্তি নিয়ে গবেষণা চলছে।

বাঁশের উৎপাদন ও প্রক্রিয়াকরণে স্থানীয় জনগণের সুবিধা নিশ্চিত করা গুরুত্বপূর্ণ। ভিয়েতনামে নারীদের সমবায়ের মাধ্যমে বাঁশ উৎপাদন ও বিক্রির উদাহরণ রয়েছে।

বাংলাদেশে বাঁশের ব্যবহার বহু পুরোনো। তবে বাঁশের সরবরাহ কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই বাঁশের টেকসই উৎপাদন ও প্রজাতি সংরক্ষণে গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। বাঁশ দিবস হলো এই পরিচিত উদ্ভিদটির গুরুত্ব নতুন করে দেখার একটি সুযোগ।

বিজ্ঞাপন