মেয়াদ শেষ হওয়ায় দ্রুত ডাকসু নির্বাচন আয়োজনের দাবি জানিয়েছে ছাত্রশিবির। সংগঠনটির অভিযোগ, নির্বাচনের বিষয়ে প্রশাসন অজানা কারণে গড়িমসি করছে।
অন্যদিকে, ছাত্রদল বলছে, সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ তৈরির জন্য আরো সময় প্রয়োজন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম জানান, হলগুলোর পরিস্থিতি পর্যালোচনা করতে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।
২০১৯ সালে ১৯৯০ সালের পর প্রথম ডাকসু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। সর্বশেষ নির্বাচন ২০২৫ সালের ৯ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হয়। নতুন কমিটি ১৩ সেপ্টেম্বর দায়িত্ব গ্রহণের পর এক বছরের মেয়াদ শেষ হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থী বলেন, “এটা তো প্রত্যেক বছর একটি ক্যালেন্ডার অনুযায়ী হওয়া উচিৎ।” অপর এক শিক্ষার্থী বলেন, “গঠনমূলকভাবে প্রতিনিধি আসবে এবং শিক্ষার্থীদের জন্য কাজ করবে এটাই আমাদের প্রত্যাশা।”
ছাত্রদল নেতারা বলেন, গতবারের মতো বিতর্কিত নির্বাচন হতে দেওয়া হবে না। তারা জানান, আগে সংস্কার, পরে ভোট। ছাত্রদল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার দপ্তর সম্পাদক মল্লিক ওয়াসি উদ্দিন তামী বলেন, “সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য প্রয়োজনীয় সংস্কার আগে করতে হবে।”
নির্বাচনের দিনক্ষণ ঠিক না হওয়ায় অসন্তুষ্ট ছাত্রশিবির। তাদের অভিযোগ, শাহবাগ থানা ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের ওপর নাখোশ তারা। ছাত্রশিবিরের সভাপতি এস এম ফরহাদ বলেন, “সংসদের মেয়াদ শেষ। আমরা নির্বাচনের কোনো বিলম্ব চাই না।”
তবে উপাচার্য ছাত্রশিবিরের অভিযোগ নাকচ করে দিয়ে বলেন, “নির্বাচনের পরিবেশ নিয়ে খোঁজ নেওয়া হচ্ছে।” তিনি বলেন, “নির্বাচনের বিষয়ে সার্বিক পরিস্থিতি মূল্যায়নের পর সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।”