মশা নিধনে কীটনাশকের নামে কেরোসিন সরবরাহের অভিযোগ তদন্তে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) ভাণ্ডারে অভিযান চালিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এসময় বেশিরভাগ কর্মকর্তা-কর্মচারী সটকে পড়েন।
জানা গেছে, মশার ভেজাল কীটনাশক সরবরাহে কালো তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠান নতুন নামে ২ বছরে ৪৮ কোটি টাকার কাজ পেয়েছে। এছাড়া বর্জ্য সংগ্রহে অতিরিক্ত টাকা আদায় ও ঘুষ লেনদেনের অভিযোগও খতিয়ে দেখছে দুদক।
২০১১ ও ২০১৯ সালে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনে মশার ভেজাল কীটনাশক সরবরাহের দায়ে ‘দি লিমিট অ্যাগ্রো’ নামক প্রতিষ্ঠানকে কালো তালিকাভুক্ত করা হয়। পরে ওই প্রতিষ্ঠানের মালিক ফরোয়ার্ড ইন্টারন্যাশনাল নামে নতুন প্রতিষ্ঠান খুলে ঢাকা দক্ষিণে দুই বছরে ৪৮ কোটি টাকার কীটনাশক সরবরাহ করেছে।
দুদকের সহকারী পরিচালক রাজু আহমেদ বলেন, ‘২০২৪ সালের মার্চের দিকে পরিদর্শন রিপোর্ট প্রদান করা হয়, যেখানে প্রতিষ্ঠানটির সন্তোষজনক অবস্থান পাওয়া যায়নি।’ তিনি আরও জানান, প্রতিষ্ঠানটির পর্যাপ্ত গুদাম, ল্যাব ও জনবল ছিল না।
ডিএসসিসির প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা এয়ার কমোডর মাহাবুবুর রহমান তালুকদার জানান, ‘স্থানীয়গুলির বিষয়েও চিন্তা করতে হবে। যদি আমরা দ্রুত ব্যবস্থা নিতে পারতাম তবে ভালো হতো।’
ডিএসসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. খয়বর রহমান বলেন, ‘আমরা বিশেষজ্ঞদের ডেকেছি, তারা পরীক্ষা-নীরিক্ষা করে মতামত দিলে আমরা ওষুধগুলো ব্যবহার করব। অন্যথায় ওষুধগুলো ফিরিয়ে দেব।’
এছাড়া, দুদক মশক নিবারণী দপ্তরের স্টোরকিপার ও অ্যাকাউন্টস শাখার কয়েকজন কর্মচারীর বিরুদ্ধে ঘুষ লেনদেনের অভিযোগ যাচাইয়ে তদন্ত শুরু করেছে।