বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
ব্রেকিং
জাতীয়

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বোয়িং ৭৩৭-৮০০ এ সেফটি মডিফিকেশন সম্পন্ন

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বোয়িং ৭৩৭-৮০০ উড়োজাহাজে সেফটি মডিফিকেশন সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বোয়িং ৭৩৭-৮০০ এ সেফটি মডিফিকেশন সম্পন্ন

বাংলাদেশের জাতীয় পতাকাবাহী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বহরে থাকা দুটি বোয়িং ৭৩৭-৮০০ উড়োজাহাজে 'ইগনিশন মিটিগেশন মিনস' (আইএমএম) মডিফিকেশন প্রকল্প সফলভাবে বাস্তবায়ন করা হয়েছে। মার্কিন বিমান চলাচল প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান এয়ারসেল কর্পোরেশন এই কারিগরি কাজ সম্পন্ন করেছে।

প্রকল্পের আওতায় উড়োজাহাজ দুটিতে এয়ারসেলের এফএএ-অনুমোদিত 'এয়ারসেফ সাপ্লিমেন্টাল টাইপ সার্টিফিকেট' (এসটিসি) ভিত্তিক আইএমএম সমাধান বাস্তবায়ন করা হয়েছে। এই প্রযুক্তির মূল লক্ষ্য হচ্ছে আন্তর্জাতিক এয়ারওয়ার্থিনেস এবং ফুয়েল ট্যাংক সেফটি প্রয়োজনীয়তা পূরণ করা এবং ফুয়েল ট্যাংকে সম্ভাব্য ইগনিশন ও ফ্লেম প্রোপাগেশনের ঝুঁকি কমানো।

এয়ারসেলের প্যাসিভ সেফটি সলিউশন 'এয়ারসেফ' আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা বিধিমালা অনুসরণে ব্যবহৃত হয়েছে। এই সিস্টেমে কোনো জটিল মেকানিক্যাল উপাদান বা মুভিং পার্টস নেই, ফলে উড়োজাহাজের রক্ষণাবেক্ষণ সহজতর হয়। প্রকল্পটি পরিকল্পিত সিডিউলড মেইনটেন্যান্সের সঙ্গে সম্পন্ন হওয়ায় অপারেটিং ব্যাঘাত সৃষ্টি হয়নি।

এয়ারসেলের স্থানীয় প্রতিনিধি ইনিশিয়েটিভ বিজনেসের ভাইস প্রেসিডেন্ট ও সিইও সামিন ওয়াই প্রিয়ম জানান, এটি আন্তর্জাতিকভাবে অনুমোদিত একটি এভিয়েশন সেফটি সলিউশন কীভাবে জাতীয় পতাকাবাহী এয়ারলাইন্সের বহরে প্রয়োগ করা যায়, তার একটি গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ।

তিনি আরও বলেন, 'আমাদের লক্ষ্য সবসময়ই ছিল বিশ্বমানের এভিয়েশন সক্ষমতা ও প্রযুক্তিকে বাংলাদেশের এভিয়েশন সেক্টরের সঙ্গে কার্যকরভাবে যুক্ত করা।' ইনিশিয়েটিভ বিজনেস বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক এভিয়েশন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ও এমআরও-দের সঙ্গে সংযোগ তৈরিতে কাজ করে আসছে।

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বহরে এই মডিফিকেশন সম্পন্ন হওয়াকে আন্তর্জাতিক প্রযুক্তিগত সক্ষমতা ও দেশীয় বাণিজ্যিক এভিয়েশন খাতের মধ্যে একটি সফল দীর্ঘমেয়াদি সহযোগিতার মাইলফলক হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

বিজ্ঞাপন