নারায়ণগঞ্জে হত্যার শিকার যুবক বিল্লালের মরদেহের দাফন ও ধর্মীয় পরিচয় নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়েছে। নিহতের মা ও বাবা ধর্মীয় পরিচয়ের বিষয়ে ভিন্ন মত পোষণ করছেন। মায়ের দাবি, ছেলে মুসলিম; অন্যদিকে বাবার দাবি, তিনি হিন্দু।
গত ৫ সেপ্টেম্বর রাত সোয়া ১টার দিকে নারায়ণগঞ্জ শহরের চাষাঢ়া এলাকায় বিল্লালকে হত্যা করা হয়। হত্যার পর মরদেহ দাফন নিয়ে জটিলতা সৃষ্টি হয়। বাবার দাবি, তার ছেলে শুভ জন্মসূত্রে হিন্দু, তাই মরদেহ দাহ করতে হবে। অপরদিকে, মা আয়েশা বেগম জানায়, তিনি ও তার ছেলে ২০০৩ সালে ধর্মান্তরিত হয়েছেন এবং মুসলিম রীতিতে বিয়ে করেছেন।
মরদেহ ফ্রিজিং গাড়িতে রাখা ছিল ৫ দিন। পুলিশের দ্বিধাদ্বন্দ্বের পর হাইকোর্টের কাছে ধর্মীয় পরিচয় নিশ্চিত করার জন্য আবেদন করা হয়। শুনানিতে নিহতের ভাই ইব্রাহিম কোরআন থেকে সূরা পাঠ করেন।
অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজল আদালতকে জানান, যদি বিল্লাল মুসলমান না হয়ে থাকেন, তাহলে বিয়ের বৈধতা প্রশ্নবিদ্ধ হবে এবং সন্তানের পিতৃত্ব নিয়ে জটিলতা দেখা দিতে পারে। আদালত এ বিষয়ে সব বিবেচনা করে বিল্লালের মরদেহ ইসলাম ধর্মের নিয়ম অনুযায়ী দাফনের নির্দেশ দেন।
হাইকোর্টের সিদ্ধান্তে নিহতের মা ও ভাই আদালতে উপস্থিত হয়ে বলেন, 'আমরা সবাই ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছি এবং ইসলাম ধর্মের নিয়ম অনুযায়ী তার দাফন করা হবে।'