নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানার সাইনবোর্ড ভূইগর এলাকায় একটি ভাড়া বাসা থেকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) শিক্ষার্থী ফারজানা ইসলামের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পরিবারের দাবি, তার স্বামী নাজমুল ইসলামের বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ রয়েছে।
শনিবার রাত ১১টার দিকে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে এবং আজ রোববার সকালে ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ ভিক্টোরিয়া জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়। ফারজানা ফার্মেসি বিভাগের ২০১৯–২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।
পুলিশ জানায়, ময়নাতদন্তের রিপোর্টের ভিত্তিতে মৃত্যুর প্রকৃতি সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে। তবে হত্যাকাণ্ডের অভিযোগে নাজমুলকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
ফারজানার পরিবার জানায়, গত বছরের ডিসেম্বরে মারধরের কারণে তিনি স্বামীর বাড়ি ছেড়ে বাবার বাড়িতে চলে আসেন এবং পরে নারী নির্যাতনের মামলা করেন। মামলার পর নাজমুলের পরিবারের সদস্যরা যোগাযোগ করে ভবিষ্যতে নির্যাতন না করার প্রতিশ্রুতি দেন।
ফারজানার ভাই আরিফুল ইসলাম অভিযোগ করেন, বিয়ের পর থেকে ফারজানাকে বিভিন্নভাবে নির্যাতন করা হয়েছে এবং তার পরিবারের কাছ থেকে টাকা দাবি করা হয়েছে। তিনি জানান, ঘটনার দিন সন্ধ্যায় ফারজানার সঙ্গে তার কথা হয়েছিল এবং তখন কিছু অস্বাভাবিকতা অনুভূত হয়নি।
ফতুল্লা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) গাজী সুমন মাহতাব বলেন, 'আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় পেয়েছি। প্রাথমিকভাবে এটি আত্মহত্যা মনে হচ্ছে, তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পরই নিশ্চিত হওয়া যাবে।'